কলকাতা: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তরজায় জড়িয়ে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন ‘আমি আরবানায় থাকি! আরবানায় থাকতে যোগ্যতা লাগে’! এই মন্তব্যের পরেই অভিনেত্রী-সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Rachana Banerjee) নিয়ে শুরু হয় তুমুল ট্রোলিং! বিতর্কের ঝড় ওঠে সমাজ মাধ্যমে। ‘আরবানায় থাকা’ নিয়ে এবার ফের মুখ খুললেন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ। এবার যদিও সেই মন্তব্য নিয়ে অনেকটাই খোলামেলা রচনা। শুক্রবার চুঁচুড়ায় বিজেপি বিধায়ক সুবীর নাগের ভারতমাতা পুজোয় গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তিনি (Rachana Banerjee) বলেন, “আমাকে এক সাংসদ অ্যাটাক করেছিলেন। তাই জবাব দিয়েছি।”
কিন্তু এবার যেন ‘ডিফেন্স’টা আরও ব্যক্তিগত! রচনা জানান, একটা সময় তিনি ছোট একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। তখন থেকেই স্বপ্ন ছিল আরবানায় থাকার, মা-বাবাকে সঙ্গে রাখার। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে বলেই মন্তব্য করেছিলেন বলে তাঁর দাবি।
তবে এখানেই টুইস্ট। রচনা (Rachana Banerjee) নিজেই স্বীকার করলেন, “এখন মনে হয়, আরবানা মন্তব্য না করলেই ভালো হত।” সমাজমাধ্যমে তাঁর মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা হলেও বন্ধুরা নাকি তাঁকে কিছু বলেননি। বরং নিজের জীবনযাত্রা নিয়েও সাফাই দিলেন সাংসদ। বললেন, তিনিও গড়িয়াহাট থেকে পোশাক কেনেন, তাঁর মা এখনও গড়িয়ায় থাকেন।
বলে রাখা ভালো, সোশ্যাল মিডিয়ায় রচনার (Rachana Banerjee) ‘আরবানা’ মন্তব্যে যখন ধুন্ধুমার, সেই সময়ই ‘অর্ধাঙ্গিনী’ ছবির প্রোমোশনে পরিচালক-অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলি এবং অভিনেত্রী চূর্ণী গাঙ্গুলির সাক্ষাৎকারও বেশ ভাইরাল হয়। ঘটনাচক্রে, এই দম্পতিও আরবানাতেই থাকেন। কিন্তু টলিউডের জাঁকজমকের বাইরে সাধারণ আর পাঁচটা মানুষের মতোই থাকতে ভালোবাসেন বলে জানান তাঁরা। আরবানায় থাকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কৌশিক গাঙ্গুলি বলেন ‘এটা তো ভবিষ্যতের জন্য ইনভেস্টমেন্ট’। পাশাপাশি, চূর্ণী গাঙ্গুলি জানান, তিনি গড়িয়াহাটের জামাকাপড় পড়েন এবং পছন্দ করেন। সেইসঙ্গে গড়িয়ার বাড়িকে ‘মিস’ করেন।


