লখনউ: দানবাক্সে ‘লিক’ বন্ধ হতেই কেল্লাফতে! হু হু করে বাড়ছে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) আয়। সূত্রের খবর, আগে প্রতিদিন রাম মন্দিরের সরকারি নিবন্ধিত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দানবাক্স থেকে গড়ে ১৬ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা জমা পড়ত। ‘চুরি’ বন্ধ হওয়ায় বর্তমানে সেই অঙ্ক বেড়ে ২৪ থেকে ২৬ লক্ষ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা বেশি জমা পড়ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
যদিও রাম মন্ডিরের বিপুল তহবিলের চুরি যাওয়া টাকার কিছুটা উদ্ধার হলেও সোনার এখনও কোনও হদিশ নেই। বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) ইতিমধ্যেই রাম মন্দির (Ram Mandir) পরিদর্শন করে মন্দিরের ইনচার্জ কেডি বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। দানে পাওয়া গয়না, মূল্যবান সামগ্রী, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (মিন্ট) এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে হওয়া লেনদেনের সমস্ত তথ্যও চেয়েছেন তদন্তকারীরা।
তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দানে পাওয়া সমস্ত সোনা ও মূল্যবান ধাতু নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় জমা পড়েনি। নগদের পাশাপাশি কিছু মূল্যবান ধাতুও আত্মসাৎ হয়েছে বলে সন্দেহ। তবে সেই সোনা এখনও উদ্ধার হয়নি। তাই তদন্তকারীদের অনুমান, চুরি যাওয়া সোনা গলিয়ে বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে।
এদিকে তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দানের হিসাব প্রতি তিন মাস অন্তর শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Ram Mandir) পর্যালোচনা করলেও সোনা, রুপো ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর মজুত ও হিসাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতো না। সেই বিষয়টিও এখন তদন্তের আওতায় এসেছে।


