Aaj India Desk,কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বড় ধাক্কার পর ভবানীপুর কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই কেন্দ্রে বিজেপি নেতা তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-র কাছে হেরে গিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
ভোটের ফলাফল মেনে না নিয়ে ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে এবার কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ।
মঙ্গলবার বিধানসভায় কার্য উপদেষ্টা কমিটি ও সর্বদলীয় বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, আগের সরকারের সময়ে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন তাঁকে নবার সাসপেন্ড করা হয়েছিল। তাঁকেও একাধিকবার সাসপেন্ড করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
শঙ্কর ঘোষের দাবি, সেই সময় শেষ হয়েছে এখন সরকার উন্নয়নের কাজেই জোর দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে হিংসার কোনও জায়গা নেই। পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসা কমানোর চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে কটাক্ষ করে শঙ্কর বলেন, “নন্দীগ্রামে হারার পরেও তিনি আদালতে গিয়েছিলেন। এবার ভবানীপুরে হারার পরও একই পথ বেছে নিয়েছেন। মানুষের রায় মেনে নেওয়া উচিত।”
তিনি আরও বলেন, “একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সততার প্রতীক হিসেবে রাজনীতিতে এসেছিলেন। কিন্তু এখন দুর্নীতির অভিযোগে তাঁর শেষ পর্যায়ে আসে দাঁড়িয়েছে।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ভোটের ফলে বড় ব্যবধানে জয় পান শুভেন্দু। এরপরই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যে রাজনৈতিক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।


