কলকাতা: জাল সই কান্ডে মঙ্গলবার কালীঘাটে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের পার্টি অফিসের পাশাপাশি ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) অফিসেও হানা দিয়েছে সিআইডি। সূত্রের খবর, দীর্ঘক্ষণ অফিসের বাইরে অপেক্ষা করতে হয় সিআইডি আধিকারিকদের। পরে অফিসের বাইরে একাধিক জুতো দেখতে পেয়ে আধিকারিকরা নিশ্চিত হন যে ভিতরে কেউ উপস্থিত রয়েছেন।
তবে অভিযোগ, তা সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় অফিসের দরজা খোলা হয়নি। সিআইডির সঙ্গে অসহযোগিতা করা হচ্ছে বলে দাবী করা হয়। এদিকে আজ বিকেল ৫ টার মধ্যে ভবানীভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) হাজিরা দেওয়ার কথা। তার ঠিক কিছুক্ষণ আগে ফের হাজিরা এড়ালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, চিঠি দিয়ে অনুপস্থিতির কারণ দর্শিয়েছেন যুবরাজ।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে আমি কলকাতার বাইরে। এই মামলায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি। তাই ভবানীভবনে যেতে পারছি না। এটি এই মামলায় অভিষেকের কাছে পাঠানো CID-র তৃতীয় নোটিস। এর আগে ১০ জুন হাইকোর্টে মামলার শুনানির কারণ দেখিয়ে সময় চেয়েছিলেন তিনি। তবে সেই আর্জি খারিজ হয়ে যাওয়ার পরই তদন্তে গতি বাড়িয়েছে CID।
এদিকে, তলবের মধ্যেই শনিবার থেকে দিল্লিতে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেই আবহে সোমবার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির উল্টোদিকে থাকা তৃণমূলের দলীয় অফিসে পৌঁছে যায় CID-র একটি বড় দল। প্রায় ৩০ জন আধিকারিক নিয়ে সেখানে তল্লাশি চালাতে যায় তদন্তকারী সংস্থা।
তবে অফিসে ঢোকাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় টানটান নাটক। অভিযোগ, CID আধিকারিকদের বাধা দেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী। তাঁর দাবি ছিল, যাঁদের সঙ্গে দেখা করতে CID এসেছে তাঁরা দিল্লিতে রয়েছেন। আরও দু’দিন সময় দেওয়ার আর্জিও জানান তিনি। অন্যদিকে CID আধিকারিকরা প্রশ্ন তোলেন, তদন্তে বাধা দেওয়া হচ্ছে কেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।


