Aaj India desk, কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তৃণমূল কদিন আগেও ছিল রাজ্যের শাসক দল। কিন্তু বিধানসভা ভোটের ভরাডুবির পর তৃণমূল কংগ্রেসের উপর যেন রাহুর দশা কাটছেই না। নীলবাড়ি তথা নবান্ন তো আগেই গেছে। আজকে দলের বিক্ষুব্ধ নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দলও এক প্রকার ভেঙে গেছে। এত কিছু হারানোর ধাক্কা সামলানোর আগেই এবার ধস নামল লালবাড়িতে।ভোটের আগেই হারাতে চলছে পুরসভা।সব মিলিয়ে তৃণমূলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ চরম সংকটে।
কি ঘটলো আজ?
আজ কলকাতার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee) তাঁর এই পদত্যাগের আবেদনে সম্মতি জানিয়েছেন। আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে নবান্নে গিয়েছিলেন কলকাতা বন্দরের বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম। সেখান থেকে ফিরেই মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তিনি। তৃণমূলনেত্রী মমতাকে গিয়ে ফিরহাদ জানিয়েছিলেন পুরসভায় এই মুহূর্তে কাজ করা যাচ্ছে না। তাই তিনি নিষ্কৃতি চান। তৃণমূল মুখপাত্র কুণালের কথায়, ‘‘নেত্রী বারণ করেছিলেন। কিন্তু ফিরহাদ জানান, সম্মানের সঙ্গে নিষ্কৃতি চান তিনি। এর পরে মমতা সম্মতি দিয়েছেন।’’
একদিনে আর কত?
আজকের দিনটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও তৃণমূল তো বটেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এত রকমের ঘটনার ঘনঘটা এর আগে বোধহয় দেখেনি পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল। সকালেই প্রায় ৬০ জন বিধায়ককে নিয়ে তৃণমূলের বিলম্বিত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান বিরোধী দলনেতা হওয়ার আবেদন করেন। সেই আবেদন স্পিকার মঞ্জুর করেছেন। এরপরেই পুরসভা থেকে ইস্তফা দিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাৎপর্যপূর্ণভাবে শুভেন্দু অধিকারীর সাথে বৈঠকের পরই এই ঘটনাগুলি ঘটেছে। রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা, তৃণমূল তো গেল। পশ্চিমবঙ্গে কি আর কোনো বিরোধী মত অবশিষ্ট থাকবে?


