Aaj lndia Desk,কলকাতা: ২১ জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশকে ঘিরে প্রস্তুতির মধ্যেই কলকাতার বিড়লা তারামণ্ডলের (Birla Planetarium) সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের সভাস্থলে ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে সোমবার সন্ধ্যায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দলের দাবি, আদালতের নির্দেশ মেনে সভার সমস্ত প্রস্তুতি চলাকালীন একদল দুষ্কৃতী সেখানে এসে ব্যানার-পোস্টার নষ্ট করে, মঞ্চের ক্ষতি করার চেষ্টা চালায় এবং মাইকের সংযোগে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। একই সঙ্গে কর্মীদের ভয় দেখানো ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে।
ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নিজে সভাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দোলা সেন।
এর আগে তৃণমূলের মুখপাত্র তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে কলকাতা পুলিশের কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে সভার প্রস্তুতিতে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। তাঁর দাবি, তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তায় আতঙ্কিত হয়েই বিরোধীরা এমন পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে।
কুণাল ঘোষ আরও জানান, আদালতের নির্দেশ মেনেই নির্ধারিত স্থানে সভার প্রস্তুতি চলছিল। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী মঞ্চ ও অন্যান্য সামগ্রী নষ্ট করার চেষ্টা করে। পাশাপাশি মাইকের তারে হাত দেওয়া এবং কর্মীদের অশালীন ভাষায় হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। তবে দলের কর্মীরা একজোট হয়ে প্রতিবাদ জানানোয় অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে চলে যায় বলে তাঁর দাবি।
ঘটনার পর কলকাতা পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, দায়িত্বশীল আধিকারিকের নেতৃত্বে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা প্রয়োজন, যাতে আর কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়। তিনি জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যেই পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের নজরে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বার্তা, এই ধরনের ঘটনার মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মসূচি বা সংগঠনকে আটকানো সম্ভব নয়।


