Aaj lndia Desk,কলকাতা: একই দলে থেকেও সম্পর্কের বরফ যেন ক্রমেই জমাট বাঁধছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ কাকুলি ঘোষ দস্তিদার ( Kakoli Ghosh Dastidar) এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)-র দ্বন্দ্ব এবার পৌঁছে গেল লোকসভার স্পিকারের দরজায়। অনেকেই বলছেন, দলীয় পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরই কি ক্ষোভ আরও বেড়েছে কাকলির? আর সেই কারণেই কি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ আনছেন তিনি?
নিজের দলেরই সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)-কে চিঠি দিয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর অভিযোগ, সংসদের ভিতরে তাঁকে এবং আরও কয়েকজন মহিলা সাংসদকে একাধিকবার মৌখিকভাবে অপমান করেছেন কল্যাণ। কাকলির দাবি, এই আচরণ শুধু অশালীনই নয়, নারীবিদ্বেষীও। তাই স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের অনুমতি চেয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার প্রকাশ্যে আসে সেই চিঠি। আর তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা। কারণ, অভিযোগকারী এবং অভিযুক্ত দুজনেই তৃণমূলের সাংসদ। ফলে দলীয় অন্দরের অস্বস্তিও এখন প্রকাশ্যে।
গত ১৫ মে তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলের মুখ্য সচেতক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় কাকলিকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে বারাসতের সাংসদের। সমাজমাধ্যমে একাধিক ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টও করেছিলেন তিনি।এরপর একে একে বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ, মহিলা তৃণমূলের শীর্ষ পদ সহ দলের সমস্ত দায়িত্ব ছেড়ে দেন কাকলি। ইতিমধ্যেই রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী (Subrata Bakshi)-কে চিঠিও দিয়েছেন তিনি। ফলে রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, দলীয় পদ হারানোর ক্ষোভই কি এবার প্রকাশ্য সংঘাতের রূপ নিল?


