Aaj india desk , কলকাতা: গতকালই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় উত্তাল হয়েছিল। এসএফআই এবং এবিভিপির (ABVP) সংঘর্ষ চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছয়। আগের দিন অরবিন্দ ভবনে আগুন লাগিয়ে দেয় এবিভিপি। এমনই অভিযোগ করে এসএফআই। আবার এসএফআইয়ের বিরুদ্ধে পাল্টা মারধরের অভিযোগ আনে এবিভিপি। আক্রমণ পরস্পর আক্রমণ এবং পাল্টা প্রতিরোধের মধ্যে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। এর মধ্যেই এবি ভিপি বিশ্ববিদ্যালয় দখলের কর্মসূচি নেয়। আর সেখানেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলকে পা রেখে ওঠার চেষ্টা করে কিছু এবিভিপি সমর্থক। তখনই ভেঙ্গে যায়, যাদবপুরের ঐতিহ্যের প্রতীক্ষ ফলকটি।
এবি ভিপির অস্বীকার
এরপরে ই সব মহল থেকে নিন্দা শুরু হয়। নন্দলাল বসুর ডিজাইন করা ভেঙে যাওয়া আসলে শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে অপমান করা। কিন্তু এবিভিপি (ABVP) সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের বিতর্কিত নেতা নিখিল দাস সংবাদ মাধ্যমে বলেন,” এসএফআই মারাতে আমরা হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। এই কাজ আমরা করিনি।” এবিভিপির আরেক নেতা শুভব্রত অধিকারী বলেন “বাম নকশালরা ওই ফলক ভেঙেছে। এবিভিপিকে তো আটকে দেওয়া হয়েছিল।” যারা ভেঙে ফেলেছিল তারা সকলেই এবিভিপি র পতাকা নিয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে শুভব্রত বলেন, “পতাকা যে কেউ নিতে পারে তাতে আমাদের কোন দায় নেই।”
প্রেসিডেন্সিতে কেন ?
গতকাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এসএফআই ও বাম ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিল এবি ভিপি (ABVP)। একই কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে তারা করে। তাদের দাবি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলক ভাঙার প্রতিবাদে তাদের এই প্রতিবাদ। প্রেসিডেন্সি থেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ছিলেন শুভব্রত অধিকারী। সাথে ছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন এবিভিপি কর্মী। তবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবি, ওই কর্মীরা আসলে কিছুদিন আগেও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ করতেন। ভোটের পরে রাতারাতি সকলে এবিভিপি হয়ে গেছেন।


