29.9 C
Kolkata
Friday, June 5, 2026
spot_img

“বহিষ্কারের চিঠি বৈধ নয়”-ঋতব্রত ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন স্পিকার

Aaj India Desk, কলকাতা: সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee) ও সন্দীপন সাহার (Sandipan Saha) নাম উল্লেখ করে জানান, এই দুই তৃণমূল (TMC) বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই জাল সই-কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)-সহ একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি (CID)। এরপর মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। আর এই ঘটনা ঘটার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হয়ে গেলেন ‘আসল তৃণমূলে’র নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে,ঋতব্রতকে তো তৃণমূল বহিষ্কার করেছে, তাহলে তিনি তৃণমূল হলেন কীভাবে? আবার তৃণমূলের পাঠানো বিরোধী দলনেতা সংক্রান্ত প্রস্তাবই বা কেন গ্রহণ করা হল না?

এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু। তাঁর দাবি, ঋতব্রতদের বহিষ্কারের ক্ষেত্রে দলের নির্ধারিত নিয়ম মানা হয়নি। স্পিকারের কথায়, দলের সংবিধান অনুযায়ী কোনও সদস্যকে বহিষ্কার করার আগে শোকজ করতে হয় এবং জবাব দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় দিতে হয়। মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়া সম্ভব নয়। তাই বহিষ্কারের চিঠিকে তিনি বৈধ বলে মনে করেননি। তবে তৃণমূলের কাছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিধায়ক থাকায় সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের জন্য তৃণমূল যে চিঠি জমা দিয়েছিল, তাতেও কিছু ত্রুটি ছিল বলে দাবি স্পিকারের। সেই কারণেই ওই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি। রথীন্দ্রনাথ বসুর বক্তব্য, তিনি সম্পূর্ণ আইন ও বিধি মেনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, এর আগেও দলের একটি চিঠির স্বাক্ষর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই বিষয়টি তদন্তের জন্য সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন