Aaj India Desk, কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ছেড়ে এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। তবে নতুন দলে যোগ দেওয়ার এক মাসের মধ্যেই তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ফের জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের দাবি, এই ২০ জন সাংসদকে এবার বিজেপিতে (BJP) অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
সূত্রের খবর, এনডিএ-তে এনসিপিআই সাংসদদের অন্তর্ভুক্তি ঘিরে কিছু আইনি প্রশ্ন উঠেছে। ইতিমধ্যেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের সাংসদ পদ বৈধ কি না, তা নিয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই আইনি জটিলতা এড়াতেই তাঁদের সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেওয়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে ২০ জন সাংসদের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার দিল্লি যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সূত্রের খবর, শুক্রবার তাঁর সঙ্গে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক হতে পারে।সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগে ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে এনসিপিআই সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিতর্ক তৈরি হয়। কালীঘাট তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলি বৈঠক বয়কট করে প্রতীকী ওয়াকআউট করে। তাদের অভিযোগ, এখনও এনসিপিআই কোনও সরকারি স্বীকৃতি পায়নি। তাহলে সেই দলকে সর্বদলীয় বৈঠকে কেন ডাকা হল, সেই প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা।
এই পরিস্থিতিতে এনসিপিআই-র ২০ জন সাংসদকে বিজেপিতে নেওয়া হতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “ওদের দলের নেতৃত্বই এই বিষয়ে সঠিক উত্তর দিতে পারবেন। আমি বিজেপির প্রতিনিধি হিসেবে শুধু আমাদের দলের কথা বলতে পারি। আমি এনডিএ-র নেতা নই। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই লড়ে জিতেছে। কোনও শরিকের প্রয়োজন হয়নি। তাই সেই জয় বিজেপিরই জয়।”


