28.8 C
Kolkata
Thursday, July 23, 2026
spot_img

ছাত্র আন্দোলন না বড় ষড়যন্ত্র? CJP-র বিরুদ্ধে NIA তদন্ত চেয়ে মামলা দায়ের!

নয়াদিল্লি: দেশের ভবিষ্যৎ যুবসমাজ দুর্নীতি-মুক্ত, স্বচ্ছভাবে পরিচালিত শিক্ষাব্যবস্থা এবং নিট সহ একাধিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস নিয়ে সরকারকে প্রশ্ন করছে! প্রায় দেড় মাস ধরে দিল্লির ৪০ ডিগ্রি গরমে যন্ত্রর-মন্তরে রাতের পর রাত অতিবাহিত করছে, একটি আশায় যে তাঁরা ‘পরিবর্তন’ আনতে পারবে! যে আন্দোলন (CJP Protest) নাড়িয়ে দিয়েছে দেশের সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন, দায়িত্বশীল নাগরিককে।

এই আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন দেশের অন্যতম ‘সম্পদ’ সোনম ওয়াংচুকের মত একজন পরিবেশবিদ তথা বিজ্ঞানী। হাজারও সমাজকর্মী, ধীরে ধীরে মুখ খুলেছেন বলিউডের শক্ত শিরদাঁড়ার তারকা, অভিনেতারা। বাদ যায়নি সঙ্গীত-ক্রীড়া জগৎ। তবে হিন্দু মহাসভার প্রাক্তন সহ-সভাপতির মতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ‘ঠিক করার’ এই আন্দোলন (CJP Protest) নাকি ‘দেশবিরোধী-বিদেশি শক্তি দ্বারা পরিকল্পিত একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ’! ককরোচ জনতা পার্টি নাকি বিদেশি সংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকার অনুদান নিয়ে আন্দোলন সংগঠিত করছে!

এই মর্মে CJP-র বিরুদ্ধে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)-র তদন্ত চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের করেছেন অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার প্রাক্তন সহ-সভাপতি সতীশ কুমার আগরওয়াল। তাঁর দাবী, দিল্লিতে চলা আন্দোলন স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন নয়, বরং রাজনৈতিকভাবে প্ররোচিত এবং দেশের অস্থিরতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে পরিচালিত। তাঁর দাবি, এই আন্দোলনের (CJP Protest) নেপথ্যে বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে এবং CJP বিদেশি সংস্থার কাছ থেকে আর্থিক অনুদান পাচ্ছে।

মামলায় আবেদন করা হয়েছে, দিল্লির বিক্ষোভ-সংক্রান্ত তদন্তভার NIA বা অন্য কোনও বিশেষ তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হোক। পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের দায়ের করা সমস্ত এফআইআর সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার কাছে হস্তান্তরেরও আর্জি জানানো হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন হিংসা, ভাঙচুর, জরুরি পরিষেবায় বাধা এবং পুলিশ ও সাংবাদিকদের উপর হামলার অভিযোগে জড়িতদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে। আবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০ জুলাইয়ের বিক্ষোভে (CJP Protest) যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে কিছু বিদেশি সংস্থার যোগাযোগ রয়েছে বলেও মামলায় অভিযোগ তোলা হয়েছে।

শুক্রবার প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। যেখানে ২০ জুলাই ছাত্রদের উপর পুলিশের নির্মম লাঠিচার্জের ‘প্রমাণ’ ভিডিও দেখার সময় নেই দেশের মুখ্য বিচারপতির, দিল্লি হাইকোর্ট বলে, “এসবের মধ্যে আদালতকে জড়াবেন না’! সেখানে হিন্দু মহাসভার প্রাক্তন সহ-সভাপতির জনস্বার্থ মামলা শুধু গ্রহণই নয়, তার শুনানির তারিখও ঠিক পরের দিন দিয়ে দেওয়া হল! এই ঘটনায় একটা কথাই মাথায় আসে, “সত্যি সেলুকাস, কি বিচিত্র এই দেশ!”

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন