Aaj India desk, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণ ২৪ পরগণার কিছু অংশে EVM মেশিনে টেপ লাগিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছিল। আজ সামনে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। একাধিক বুথে নির্বাচন চলাকালীন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল সিসিটিভি ক্যামেরা! এমনটাই জানিয়েছেন বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। ফলে পুনর্নির্বাচন(repoll)হতে পারে।
কি ঘটেছিল ওইদিন ?
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল ফলতা মগরাহাটসহ কয়েকটি জায়গার বুথ থেকে EVM মেশিনে টেপ দিয়ে রাখার খবর আসে। বিজেপি থেকে এর জন্য কমিশনের কাছে পুনর্নির্বাচনের(repoll) দাবি তোলা হলে কমিশন স্ক্রুটিনি রিপোর্ট তলব করে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানায়। আজ সেই রিপোর্টে বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জনিয়েছেন: নির্বাচন চলাকালীন ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং নেটওয়ার্কের কারণে কন্ট্রোল রুম তা জানতে পারেনি। এখানেই শেষ নয়,বেশ কয়েকটি বুথে অন্য দলের প্রতীক টেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় EVM মেশিনে। সেই টেপ দুপুর একটা নাগাদ তোলা হলেও ততক্ষণে ৫৮ শতাংশ ভোটদান হয়ে গেছে।
পুনর্নির্বাচন কি হতে পারে?
EVM মেশিনে টেপ দিয়ে রাখায় ভোটারদের কাছে দুপুর একটা পর্যন্ত কেবলমাত্র একটি দল ছাড়া আর বিকল্প ছিল না। তাই ওই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন (repoll)হচ্ছেই। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে মোট বুথের সংখ্যা ছিল ২৮৫টি। সেখানকার বেশ কিছু বুথে ১০০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে ১৭০ এবং ১৮৯ নম্বর বুথের EVM এ টেপ লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল নিবার্চনের দিন। এছাড়াও ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার ৪টি এবং মগরহাট পশ্চিমের ১১টা বুথেও পুননির্বাচন (repoll)করাতে চেয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু হয় সেজন্য কমিশনের তরফ থেকে উত্তরপ্রদেশ থেকে এনকাউন্টার বিশেষজ্ঞ আইপিএস অজয় শর্মাকে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়ে আসা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্ত ঘাঁটি দক্ষিণ ২৪ পরগণায়। তাঁর সঙ্গে ফলতার প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের টক্কর নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। সমগ্র দক্ষিণ ২৪ পরগণা দায়িত্বে থাকলেও ফলতাতেই বিশেষ নজর দেন অজয় শর্মা। তৎসত্ত্বেও এই ঘটনায় অজয় শর্মার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে সংশ্লিষ্ট মহল। সিংহম কি তবে পুষ্পার কাছে ব্যর্থ হলেন? উঠছে প্রশ্ন।


