কলকাতা: প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। আর প্রায় ৯৬ ঘন্টা টানা ড্রাই-ডের পর অবশেষে খুলেছে মদের দোকান (liquor shops)। আবার ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগে শুক্রবার খুলেছে মদের দোকান। আর তাতেই দিন-দুয়েকের জন্য হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন সুরাপ্রেমীরা। এদিন সকাল ৮ টা বাজতেই মদের দোকানের (liquor shops) সামনে লম্বা লাইন।
ভোটের লাইনে দাঁড়ানোর আগে মদের ‘স্টক আপ’ করতে মদের দোকানের বাইরে লাইন দিয়েছেন সুরাপ্রেমীরা। এমনকি মদ কেনার জন্য নাকি অফিস পর্যন্ত ছুটি নিয়েছেন কেউ কেউ। তো কেউ আবার কাজে যাওয়ার আগেই সেরে নিচ্ছেন মজুত করার কাজ। কলকাতার রাসবিহারী অ্যাভিনিউ, গড়িয়া স্টেশন এলাকা, চাঁদনি চক, বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট সহ শহরের প্রায় প্রত্যেক মদের দকানেই (liquor shops) ধরা পড়েছে লম্বা লাইনের ছবি।
এদিকে মজুতদারি বা কালোবাজারি রুখতে আবগারি দফতরও কঠোর। দোকানদারদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ক্রেতাদের দাবী যাই হোক না কেন, যে কোনও ধরণের মদের বোতল দুটির বেশি দেওয়া যাবে না। আবার ৪ মে অর্থাৎ গণনার আগে পর্যন্ত নতুন স্টক তুলতে পারবেন না দোকানিরাও (liquor shops)। ফলে সাপ্লাইয়ের সঙ্গে ডিমান্ডের সামঞ্জস্য রাখতেই এই বোতল সংখ্যা বেঁধে দেওয়া।
আবার মদের দোকানে লাইনে দাঁড়ানো অনেকেই এই নিয়মে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই আবার বলছেন, এই দীর্ঘ সময় সুরা না পাওয়ায় শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে শুরু করেছে তাঁদের। কিন্তু ভোটের সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বদ্ধ পরিকর নির্বাচন কমিশন। কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনায় আগুনে পেট্রোল ঢালার মোট কাজ করে মদ। তাই ভোটের সময় অশান্তি এড়াতেই এই কঠোর ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।


