Aaj lndia Desk, কলকাতা: অষ্টম বেতন কমিশনকে (8thPayCommission)ঘিরে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে বেতন ও পেনশনের অঙ্কে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে, এখন সেই দিকেই নজর অনেকের। এরই মধ্যে কমিশনের সামনে কর্মী ও পেনশনভোগীদের স্বার্থে বেশ কিছু প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দাবিগুলির একটি ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধি। ভারত পেনশনার্স সমাজের পক্ষ থেকে বর্তমান ৯ হাজার টাকার ন্যূনতম পেনশন বাড়িয়ে ৪৫ হাজার টাকা করার আবেদন জানানো হয়েছে। অর্থাৎ সংগঠনের প্রস্তাব কার্যকর হলে ন্যূনতম পেনশনের অঙ্কে বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এটি এখনও সরকারের অনুমোদিত সিদ্ধান্ত নয়, শুধুমাত্র একটি দাবি।
একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন নিয়েও প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বর্তমানে ১৮ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতন রয়েছে। সেটি বাড়িয়ে ৬৯ হাজার টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ৩.৮৩ নির্ধারণের দাবিও উঠেছে। ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর মূলত পুরনো বেসিক বেতন বা পেনশনকে নতুন বেতন কাঠামোয় পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। ফলে এই ফ্যাক্টরের হার কত হবে, তার উপর সংশোধিত বেতন ও পেনশনের পরিমাণ অনেকটাই নির্ভর করতে পারে।
এতেই শেষ নয়। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা DA এবং মহার্ঘ ত্রাণ বা DR মেটানো, পেনশনভোগীদের জন্য ক্যাশলেস চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু এবং চিকিৎসা ভাতা বাড়ানোর মতো বিষয়ও কমিশনের কাছে তুলে ধরা হয়েছে।
কেন্দ্র ইতিমধ্যেই অষ্টম পে কমিশন গঠন করেছে। কমিশনকে রিপোর্ট প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার জন্য ১৮ মাস সময় দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন মহলে সম্ভাব্য ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নিয়ে ১.৮-এর মতো অঙ্কের আলোচনা থাকলেও এখনও কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।
তাই ৪৫ হাজার টাকা ন্যূনতম পেনশন বা ৬৯ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতন দুটিকেই আপাতত প্রস্তাব হিসেবে দেখতে হবে। সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই প্রকৃত বেতন ও পেনশনের কাঠামো স্পষ্ট হবে।


