Aaj India Desk, কলকাতা : আয়ুষ্মান ভারত কার্ড এখনও তৈরি হয়নি, কিন্তু নাম রয়েছে ন্যাশনাল ফুড সিকিউরিটি অ্যাক্ট (NFSA) ডেটাবেসে, এমন রোগীদের হাসপাতাল থেকে ফেরানো যাবে না। তাঁদের চিকিৎসা আপাতত স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় করতে হবে। একই সঙ্গে অসম্পূর্ণ e-KYC-র ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। শুক্রবার নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) জারি করে হাসপাতালগুলিকে এই নির্দেশই দিলো রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।
NFSA ডেটাবেস আসলে কী?
NFSA বা National Food Security Act-এর আওতায় কেন্দ্রের নির্ধারিত খাদ্যসুরক্ষা সুবিধা পাওয়ার জন্য চিহ্নিত দরিদ্র পরিবারের তথ্য এই ডেটাবেসে থাকে। সেই তালিকাভুক্ত কোনও ব্যক্তির আয়ুষ্মান ভারত কার্ড এখনও তৈরি না হলেও তাঁর চিকিৎসা যাতে আটকে না যায়, সেই বিষয়টিই নতুন SOP-তে স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি কোনও রোগীর e-KYC সম্পূর্ণ না হলেও হাসপাতালকে প্রয়োজনীয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। শুধুমাত্র এই কারণ দেখিয়ে রোগীকে হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না।
আগে যাচাই হবে আয়ুষ্মান ভারত
পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে স্বাস্থ্যসাথী এবং আয়ুষ্মান ভারত দুই প্রকল্পই চালু রয়েছে। নতুন নিয়মে কোনও স্বাস্থ্যসাথী-ভুক্ত রোগী হাসপাতালে এলে প্রথমে পরীক্ষা করে দেখতে হবে, তিনি আয়ুষ্মান ভারতের জন্য যোগ্য কি না।।যদি তাঁর আয়ুষ্মান ভারত কার্ড তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে প্রথমে সেই প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসা শুরু করতে হবে। আর আয়ুষ্মান ভারতের জন্য যোগ্য না হলে চিকিৎসা করা হবে স্বাস্থ্যসাথীর আওতায়।
দুই প্রকল্পেই নাম না থাকলে কী হবে?
কোনও রোগীর নাম স্বাস্থ্যসাথী বা আয়ুষ্মান ভারত কোনও তালিকাতেই না থাকলে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিমা যোজনা-র ফর্ম পূরণ করতে হবে। প্রকল্পের তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তির কারণে যাতে চিকিৎসা না আটকে যায় সেই লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮.৫ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে নথিভুক্ত। রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত চালুর পর এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩.৪ কোটি মানুষ নথিভুক্ত হয়েছেন। যোগ্য রোগীর চিকিৎসা যাতে প্রকল্প সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে না যায় সেটাই এখন স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান লক্ষ্য।


