Aaj India desk, কলকাতা: বিভিন্ন রাজ্যে ভোট মিটে যেতেই কোপ পরতে চলেছে আমজনতার উপর। প্রায় তিনমাস ধরে চলছে আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধ। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রেখেছে ইরান। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। ভারতেও বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। প্রশ্ন ছিল, আমজনতা এই যুদ্ধের ঝাঁজ ঠিক কতটা টের পাবে। ভোট মিটে যেতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) এই বিষয়ে নিজের মনের কথা জানালেন।
প্রধানমন্ত্রীর মনের কথা কি?
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) দেশবাসীর উদ্দেশ্যে করোনাকালের মত সংযম করার কথা বলেছেন। ওয়ার্ক ফ্রম হোম, নিজের গাড়ির বদলে গণ পরিবহন, বিদেশ ভ্রমন না করা, সোনা ভোজ্যতেল ভোগ্যপণ্য রাসায়নিক সার কম কেনার নিদান দিয়েছেন। আগামী এক বছর শুধু খুব দরকারি জিনিস কেনার কথা বলা হয়েছে। মোদীর কথায়,“দেশের জন্য মৃত্যুবরণই শুধু দেশভক্তি নয়। দেশের জন্য বাঁচা এবং দেশের প্রতি কর্তব্যপালন করাটাও দেশভক্তি।”
জনগণ কতটা সম্মত মোদীর প্রস্তাবে?
নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) এই প্রস্তাবে জনগণ কি আদৌ সম্মত?
যাদবপুর বাজারে এক গৃহবধূ বলেন,” তেল কম খেলে শরীর বাঁচবে সেটা ঠিক কথা, কিন্তু যারা কম তেলেই রান্না করে তারা কি এবার জল দিয়ে রান্না করবে? এমনিতে তো জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। আবার যদি বলে তাও না কিনতে তাহলে তো বেঁচে থাকাটাই চাপের।” এক কলেজছাত্রের কথায়, ” আমাদের দেশের সব কিছুই কি বাইরে থেকে আসে? আর মোদীজি বিদেশ ভ্রমন বন্ধ করতে বলছেন ভালো কথা। উনি নিজে সেটা করবেন তো?” প্রশ্ন তাঁর। বেসরকারি চাকুরে এক যুবকের কথায়, ” এবার থেকে তাহলে বাইকে ৬ জন করে যাতায়াত করব। কারণ মোদীজি বলেছেন নিজের গাড়িতে একসাথে অনেক লোক যাতায়াত করতে।” এখানেই শেষ নয়, অনেকের আবার প্রশ্ন দেশে যদি এতটাই খারাপ অবস্থা হয়ে থাকে তাহলে এই নিবার্চনের সময় নেতা মন্ত্রীরা হেলিকপ্টার করে এত জায়গায় যে গেলেন তাতে কতটা তেল খরচ হয়েছে?
দেশের জ্বালানি ভাঁড়ার এতটা তলানিতে একথা এতদিন বুঝতে দেয়নি সরকার, শেষ পযর্ন্ত দেশপ্রেমের মোড়ক দিতে চাইছে তারা। জনগণ কিন্তু সন্মত নয়।


