Aaj India desk, কলকাতা: ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দিয়েছেন মহুয়া (Mahua Moitra)। এই অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল তার নামে। ঘটনার সূত্রপাত নদিয়ায়। রাজ্যে কিছুদিন আগেও চলছিল ডিম থেরাপি। তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীদের দেখলেই ডিম ছুড়ে মারা হচ্ছিল। কৃষ্ণনগর আদালতের বাইরে কিছু বিজেপি মহিলা কর্মী-নেত্রী ডিম ও টমেটো হাতে দাঁড়িয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল মহুয়া (Mahua Moitra)এলে তাকে ছুড়ে মারা।জবাবে মহুয়া মৈত্র ফেসবুকে দুটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, “এইভাবে ডিম না ছুঁড়ে, বোরখা পরে ডিম ছুঁড়ুন। তাহলে কেউ আপনাদের দেখতে পাবে না। আর আপনাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও হবে না।” এরপরই বিজেপি থেকে কৃষ্ণনগর থানায় তার নামে FIR করা হয়।
অভিযোগ কি নিয়ে?
বিজেপি থেকে নদিয়ার হোগলাবেড়িয়া থানায় মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়। অভিযোগ এই মন্তব্যের মাধ্যমে মহুয়া মৈত্র একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় পোশাকের উল্লেখ করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করার এবং উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অর্থাৎ ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দিয়েছেন। কলকাতা হাই কোর্ট এই মামলায় তাকে রক্ষাকবচ দিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান মহুয়া মৈত্রকে ৫ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত গ্রেফতার করা যাবে না।তবে রক্ষাকবচ বহাল রাখার জন্য আদালত তাঁকে তদন্তকারীদের সাথে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয়। নির্দেশিত তারিখগুলিতে থানায় উপস্থিত থাকার শর্তও দেয়। কিন্তু এবার থানায় হাজির হবেন না বলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বায়িত্ব হলেন মহুয়া।
হাইকোর্টের রক্ষাকবচ কি থাকবে ?
যতক্ষণ না সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের রায়ের ওপর কোনো ‘স্থগিতাদেশ’ দিচ্ছে, ততক্ষণ কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশই চূড়ান্ত। তাই মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) রক্ষা কবচ বহাল থাকবে। যদি ১৪ আগস্টের আগে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার শুনানি না করে। বা হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করে, তবে মহুয়া মৈত্রকে ১৪ আগস্ট থানায় হাজিরা দিতেই হবে। হাজিরা না দিলে তাঁর রক্ষাকবচ বাতিল বা আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে গতকালই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিদেশ যাত্রা মামলাটি হাইকোর্ট বন্ধ করে দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন কিন্তু কোন লাভ হয়নি। মহুয়া কতটা সুবিধা পাবেন সেই নিয়ে প্রশ্ন আছে।


