Aaj India Desk, কলকাতা: জোড়াফুল প্রতীক ও ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞার পরেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল বিকল্প প্রতীক হিসেবে ‘বালিশ’-এর প্রসঙ্গ। কুণালের কটাক্ষ, ‘‘আমাদের তো মমতাদি আছেন, ওরা বরং EC থেকে বালিশ চিহ্ন নিক। চাটন পার্টি তো!’’
১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী নির্দেশে দুই গোষ্ঠীকেই আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীক ব্যবহার করতে নিষেধ করেছে। আসন্ন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের জন্য দুই পক্ষকে আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে তিনটি করে দলের নাম এবং তিনটি করে ফ্রি সিম্বলের পছন্দ কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।
এই নির্দেশের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর দাবি, জোড়াফুল প্রতীক শুধুমাত্র একটি নির্বাচনী চিহ্ন নয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার সঙ্গে যুক্ত একটি পরিচয়।
কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) আরও বলেন, কমিশনের এই নির্দেশকে তিনি লড়াইয়ের শেষ বলে মনে করছেন না। বরং তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত, সামনে আরও আইনি ও কৌশলগত পদক্ষেপ আসতে পারে। তিনি জানান, ‘‘দিদির Plan B, Plan C তৈরি।’’ একইসঙ্গে আইনি, টেকনিক্যাল এবং কৌশলগত কিছু বিষয় রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে সেগুলি এখনই প্রকাশ্যে আনা হবে না বলে জানিয়েছেন কুণাল।
তাঁর বক্তব্যে আরও উঠে আসে ঋতব্রত শিবিরকে ঘিরে তীব্র আক্রমণ। কুণালের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের কাছেই দলের মূল রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। তিনি কর্মীদের আত্মবিশ্বাস ধরে রাখার বার্তাও দেন।
কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)-এর বক্তব্য অনুযায়ী, এই লড়াই তাৎক্ষণিকভাবে শেষ হওয়ার নয়। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই লড়াই চলবে। এদিকে EC-র নির্দেশ অনুযায়ী, উপনির্বাচনে দুই গোষ্ঠীকে আপাতত পৃথক নাম ও প্রতীক নিয়েই এগোতে হবে। কোন পক্ষ কী নাম ও প্রতীক বেছে নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


