Aaj India Desk, নয়া দিল্লি : মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে রাজধানীতে ফের শুরু হয়েছে ধর্নার প্রস্তুতি। জুলাই মাসে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দেশের তরুণ প্রজন্মের সাথে জন্তর মন্তরে আন্দোলনে নেমেছিল CJP। এবার যেন সেই পুরনো ছবির সিক্যুয়েল তৈরির পরিকল্পনা সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের (Abhijit Dipke)। জ্ঞানেশ কুমারের চেয়ারই এখন সেই ‘হট সিট’! ইতিমধ্যেই সেই চেয়ার ছাড়ার জন্য ৪৮ ঘণ্টার কাউন্টডাউন শুরু করে দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। ইস্তফা না দিলেই রাজধানীর মঞ্চে ফিরছে ‘জন্তর মন্তর ভার্সন ২’!
গত বুধবারই অভিজিৎ দীপকে (Abhijit Dipke) জ্ঞানেশ কুমারকে উদ্দেশ করে বলেছিলেন, “জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো”। এবার সেই বক্তব্যের পর একধাপ এগিয়ে সরাসরি পদত্যাগের সময়সীমা বেঁধে দিল সংগঠন। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে সাংবাদিক বৈঠক করে CJP-র পক্ষ থেকে অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কারা তাঁদের তিন দফা মূল দাবি সামনে আনেন এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি তোলেন। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই এই আন্দোলনের ডাক।
এই ঘোষণার নেপথ্যে রয়েছে ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, গত প্রায় ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের একাধিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অপর দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। যদিও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকা গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ এবং আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগেও তাঁরা আন্দোলনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে চাপ তৈরি করেছিলেন। গত জুনে NEET-এ জালিয়াতির অভিযোগের প্রতিবাদ এবং তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্নায় বসেছিল সংগঠনটি। এর পরেই ২৫ জুলাই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। এবার নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিতর্কের আবহে ফের রাজধানীর রাজপথে নামার প্রস্তুতি CJP-র। ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষ হলে সত্যিই কি শুরু হবে ‘জন্তর মন্তর ভার্সন ২’?


