Aaj India Desk, কলকাতা : যাদবপুর ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। এবার ফের মধ্যরাতে রণক্ষেত্র যাদবপুর। লালকা মাঠ সংলগ্ন এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে বচসা ও পরে ধস্তাধস্তির ঘটনায় আহত হন দুই বিজেপি কর্মী। আহতদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় বিজেপি কর্মী সৌম্যদীপ সাহা এবং বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রাতুল মণ্ডল। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর হামলার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। (Jadavpur Clash BJP Workers)
রাত আড়াইটে নাগাদ ঘটনার সূত্রপাত
স্থানীয় সূত্র ও বিজেপির দাবি অনুযায়ী, শুক্রবার গভীর রাতে প্রায় আড়াইটে নাগাদ লালকা মাঠ সংলগ্ন রাস্তায় একটি যুগলকে তীব্র বচসায় জড়িয়ে থাকতে দেখেন সৌম্যদীপ। তিনি তাঁদের ওই জায়গা থেকে অন্যত্র চলে যেতে বলেন। এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, আধলা ইট দিয়ে তাঁর মুখে আঘাত করা হয়। তাতে মুখে চোট পান সৌম্যদীপ। (Jadavpur Clash BJP Workers)
খবর পেয়ে পৌঁছন সহকর্মীরা
ঘটনার খবর পেয়ে আরও কয়েকজন বিজেপি কর্মী সেখানে পৌঁছন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এই সময় বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রাতুল মণ্ডলও আহত হন। বিজেপির দাবি, ইটের আঘাতে তাঁর মাথা ও চোখের কাছে চোট লাগে। (Jadavpur Clash BJP Workers)
‘তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী’, অভিযোগ বিজেপির
ঘটনার পিছনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। তাদের দাবি, এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়। ঘটনার বিষয়ে তৃণমূলের কোনও প্রতিক্রিয়াও এখনও সামনে আসেনি।
আহত দুই বিজেপি কর্মীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, অথবা এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে বিস্তারিত সরকারি তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে যাদবপুরের এই মধ্যরাতের সংঘর্ষে ঠিক কী ঘটেছিল এবং হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা এখন পুলিশের তদন্তেই স্পষ্ট হওয়ার অপেক্ষা।


