Aaj lndia Desk,কলকাতা: অধিকারীর রাজত্বে ভিন্ন রাজনৈতিক ঘোরান মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বারবার সব দলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার বার্তা দিয়েছেন। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, আগের সরকারের আমলে বিরোধীদের কথা বলার সুযোগ না মিললেও বিজেপি সরকার সেই পথে হাঁটবে না। বিরোধী মতকেও গুরুত্ব দিয়েই রাজ্যের উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় বর্তমান সরকার এমনটাই দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার দুর্গাপুর সফরে গিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সৃজনী হলে অনুষ্ঠিত সেই বৈঠকে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং বীরভূম এই পাঁচ জেলার প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজ ও জেলা ভিত্তিক একাধিক প্রকল্প নিয়েই মূলত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।এই বৈঠকে পাঁচ জেলার সাতজন তৃণমূল বিধায়ককেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁদের কাউকেই বৈঠকে দেখা যায়নি। আর সেই অনুপস্থিতি নিয়েই সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।বৈঠক শেষে শুভেন্দু বলেন,সাতজন তৃণমূল বিধায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুরারইয়ের বিধায়ক আমাকে মেসেজ করে জানিয়েছিলেন তিনি আসবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনিও আসেননি।
তৃণমূল আমলে বিরোধীদের ডাকা হত না বলেই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রশাসনিক বৈঠকে তৃণমূল বিধায়কদের অনুপস্থিতি নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন,”আগে ৫ বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের ডাকতেন না। এখন বিজেপি সরকার বিরোধীদেরও ডাকছে।” শুভেন্দুর এই মন্তব্যের পর অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠছে, উন্নয়নের প্রশ্নে তৃণমূল কি একসঙ্গে চলতে চাইছে না?
তৃণমূলের তরফে এই অনুপস্থিতিতে মুখখোলেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তাঁর দাবি, এটি সম্পূর্ণ দলীয় সিদ্ধান্ত ছিল। কুণাল ঘোষ বলেন, দলের একাংশ কলকাতায় বিধানসভায় ধরনা কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন, আর অন্য বিধায়করা নিজেদের এলাকা বা দলের নির্ধারিত কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিলেন।তাই প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।


