Aaj India desk, কলকাতা: ১৫ বছরের রাজত্ব শেষ হয়েছে। তবুও গদি ছাড়তে নারাজ পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata)। গতকাল সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ” আমি হারিনি, আমাকে হারানো হয়েছে। তাই আমি পদত্যাগ করব না।” এই কথার পরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। আজ দলের নবনির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন মমতা।
বৈঠকে কী ঠিক হল?
মমতার (Mamata)অভিযোগ নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। এই নিয়ে তৃণমূল থেকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। বৈঠকে মমতা বলেন,”আদালতে আমি, চন্দ্রিমা আবার আদালতে প্র্যাকট্রিস করব। নানা মামলা যা হচ্ছে আমি, চন্দ্রিমা, বিপ্লব মিত্র, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সবাই আইনজীবী হিসাবে দেখব।” দলের ‘দুঃসময়ে’ সকলকে আরও একজোট হয়ে চলতে বলেন তৃণমূলনেত্রী। দলীয় নেতা-কর্মীদের মতে অন্তর্ঘাতের কারণে এই ভরাডুবি। সেকথা মাথায় রেখে মমতা (Mamata)বলেন, “যে বা যারা অন্তর্ঘাত করছে তাদের নাম জানান।” দলের ভাঙনের ব্যাপারে মমতা আগেই আন্দাজ করেছিলেন, সেকথা মঙ্গলবারের সাংবাদিক বৈঠকেও তিনি বলেছিলেন। তবে এতকিছুর পরেও মমতার(Mamata) বিশ্বাস, একদিন না একদিন দল ঠিক ঘুরে দাঁড়াবে। তাঁর কথায়, “আমিও একসময় একা ছিলাম। ঘুরে দাঁড়িয়েছি। দল ঘুরে দাঁড়াবেই।”ভোটের পরে বিভিন্ন জায়গা থেকে পাওয়া হিংসার খবর নিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ভোট পরবর্তী হিংসা হচ্ছে। যেখানে অভিযোগ নিচ্ছে না, সেখানে অনলাইনে অভিযোগ জানান।”
এরপর মমতার লক্ষ্য কী?
তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যর্থতা স্বীকার করে নিয়ে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, দলের প্রধান লক্ষ্য এখনও দিল্লি। ইন্ডিয়া জোট ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চালিয়ে যাবে। তিনি তাতে থাকবেন। পাশাপাশি আবারও পদত্যাগ না করার বিষয়টা স্পষ্ট করেছেন।মমতা(Mamata)বলেন,”নিজেদের পদে বহাল থাকাটা হল প্রতিবাদের উপায়। কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে ব্যবস্থা নিতেই পারে। চাইলে রাষ্ট্রপতি শাসনও জারি করতে পারে। তবে তা সরকারিভাবে নথিভুক্ত থাকতে হবে।” অভিষেক তার পাশে সেনাপতির মত থাকবেন বলে নিশ্চিত করেছেন মমতা ও অভিষেক দুজনেই।


