Aaj India Desk, কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC) ভাঙনের পর রাজনৈতিক সমীকরণ এখন পুরোপুরি বদলে গিয়েছে। হাতে গোনা কয়েকজন বিধায়ক এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাশে থাকলেও, অধিকাংশই যোগ দিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) নেতৃত্বাধীন ‘আসল তৃণমূল’-এ। এবার ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচিও আলাদা আলাদা ভাবে পালন করছে দুই শিবির। এরই মধ্যে তৃণমূলের ২০ জন রাজ্যসভার সাংসদও NCPI-তে যোগ দিয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। বাঁকুড়ার তৃণমূল ভবনে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “যে যেখানে যেতে চায় যাক, যেখানে ভালো থাকে থাকুক। কিন্তু আমি মমতাদিকে জানিয়ে দিয়েছি, যারা দল ছেড়ে চলে গিয়েছে, তাদের যদি আবার দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে আমিও দল ছেড়ে বেরিয়ে যাব।”
এদিন তিনি আরও দাবি করেন, “ওয়ান নেশন, ওয়ান ভোট” বিল পাশ করানোর লক্ষ্যেই বিজেপি তৃণমূলের সাংসদদের নিজেদের দিকে টেনেছে। তাঁর মতে, এই বিল কার্যকর হলে ২০২৯ সালে লোকসভা ও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন একসঙ্গেই হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে দলবদল করা নেতাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দল ছেড়ে যাওয়া ২০ জন সাংসদেরও কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, যাঁদের বিরুদ্ধে এতদিন বিজেপি রাজনৈতিক লড়াই করেছে, তাঁদের সরাসরি দলে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলেই আপাতত একটি ‘বাফার জোন’-এ রাখা হয়েছে। তাঁর আরও দাবি, ২০২৯ সালে সাংসদ হিসেবে তাঁদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাঁরা না তৃণমূলে থাকতে পারবেন, না বিজেপিতে জায়গা পাবেন।


