Aaj India Desk, কলকাতা: এলপিজি (LPG) গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, কেউ যদি নিজের এলপিজি কানেকশন বন্ধ করে দেন বা সিলিন্ডার ও রেগুলেটর সারেন্ডার (LPG Cylinder Surrender) করেন, তাহলে তিনি আগে দেওয়া সিকিউরিটি ডিপোজিটের (Security Deposit) টাকা ফেরত পেতে পারেন।
কী এই সিকিউরিটি ডিপোজিট?
নতুন গ্যাস কানেকশন নেওয়ার সময় গ্রাহকদের সিলিন্ডার ও রেগুলেটরের জন্য একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা ‘সিকিউরিটি ডিপোজিট’ হিসেবে জমা দিতে হয়। অনেকেই এটাকে আলাদা কোনো ফি মনে করেন, কিন্তু আসলে এটা কোম্পানির কাছে জমা রাখা টাকা, যা পরে ফেরতযোগ্য।
যদি কেউ শহর বদল, ব্যক্তিগত কারণ বা অন্য কোনো কারণে এলপিজি কানেকশন বন্ধ করেন, তাহলে এই জমা রাখা টাকা ফেরত নেওয়া যায়। কিন্তু অনেক গ্রাহক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না জানার কারণে এই টাকা দাবি করেন না, ফলে তা তেল বিপণন সংস্থার কাছেই থেকে যায়।
কত টাকা ফেরত পাওয়া যায়?
৫ কেজির সিলিন্ডার ফেরত দিলে প্রায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত সিকিউরিটি ডিপোজিট ফেরত মিলতে পারে। ১৪.২ কেজির ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে সাধারণত ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা পর্যন্ত ডিপোজিট ফেরত পাওয়া যায় (রাজ্যভেদে পার্থক্য হতে পারে)। রেগুলেটরের জন্য আলাদা করে ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ডিপোজিটও ফেরত দেওয়া হয়।
কী কী লাগবে কানেকশন বন্ধ করতে?
কানেকশন সারেন্ডার করার সময় কিছু কাগজপত্র ও জিনিসপত্র প্রয়োজন হয়, যেমন—
- গ্যাস কানেকশনের সময় পাওয়া সাবস্ক্রিপশন ভাউচার
- গ্যাস বুকিং ডায়েরি বা DGCC
- সিলিন্ডার ও রেগুলেটর
- ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য (ক্যানসেল চেক বা পাসবুক কপি)
পুরো প্রক্রিয়া কীভাবে হয়?
1. প্রথমে গ্রাহককে নিজের গ্যাস এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়।
2. এরপর সিলিন্ডার ও রেগুলেটর জমা দিতে হয়, বা চাইলে এজেন্সি বাড়ি থেকেও সংগ্রহ করতে পারে।
3. সবকিছু যাচাই করার পর এজেন্সি একটি টার্মিনেশন ভাউচার দেয়।
4. সেই ভাউচার ইস্যুর কয়েক দিনের মধ্যেই সিকিউরিটি ডিপোজিটের টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত চলে আসে।


