Aaj India desk, নয়াদিল্লি: বিধানসভা ভোটের পর থেকে মমতার তৃণমূল(TMC) ভেঙে তিন টুকরো। শুধু বিধানসভা নয় সংসদেও এন সি পি আই নামক দলে যুক্ত হয়েছে বিদ্রোহীরা। এদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা করেছেন কপিল সিব্বল। বিজেপিও এখন দ্বিধায় আছে এদেরকে নেবে কিনা। শোনা যাচ্ছে সেই শিবির থেকেও দুজন চলে আসতে পারেন মমতার দলে ফের। এরমধ্যেই দুজন সাংসদকে দেখা গেল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সাথে। শুধু দেখা গেল নয়, রীতিমতো যা সহযোগে আড্ডা দিতে দেখা গেল।
কাদের দেখা গেল ?
তৃণমূল (TMC) সাংসদ সৌগত রায় ও শত্রুঘ্ন সিনহাকে দেখা গেল। বুধবার সংসদ ভবনের অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে টিবি সংক্রান্ত একটি সচেতনতা কর্মসূচি ছিল। সেখানে তৃণমূলের অনেক সাংসদই উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের পর সেন্ট্রাল হলের কমন ক্যাফেটেরিয়ায় খাওয়া দাওয়া চলছিল। সেখানেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার পাশে বসেন শত্রুঘ্ন সিনহা।একই টেবিলে বসে খাবার খাচ্ছিলেন সৌগত রায়। এরপরই ছড়িয়েছে জল্পনা। এমনিতেও শত্রুঘ্ন সিনহা আগে ছিলেন বিজেপি সংসদ। ২০২৪-এ লোকসভা ভোটের আগে তিনি মমতার দলে যোগ দেন।
বাস্তবে কি ঘটেছে ?
তৃণমূল (TMC) সংসদ সৌগত রায় জানিয়েছেন, ” জেপি নাড্ডা আমাদের পুরনো বন্ধু। সংসদীয় রাজনীতিতে বিভিন্ন দলের নেতারা প্রায়ই সৌজন্যবশত একসঙ্গে বসে চা-খাবার খান, এর সঙ্গে দলবদলের কোনও সম্পর্ক নেই।” তবে দেখা গেছে এরকম সৌজন্য সাক্ষাতের পরেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী হয়ে যান। এছাড়াও তৃণমূলে বহু নেতা মন্ত্রী সাংসদ গোপনে গোপনে যোগাযোগ রাখতেন শাসক দলের। আর এখান থেকে জল্পনার উৎস। যদিও বিজেপির চাণক্য অমিত শাহের সঙ্গে সৌগত রায় বা শত্রুঘ্ন সিনহার কোনরকম গোপন বৈঠক হয়নি বলেই সূত্রের খবর।


