29 C
Kolkata
Friday, October 9, 2026
spot_img

শুভেন্দুর জয়ের রেকর্ডও ভাঙলেন হাসিরানি রথ, নন্দীগ্রামে বিজেপির বিরাট জয়

Aaj India Desk, কলকাতা: নন্দীগ্রাম (Nandigram) বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেল বিজেপি (BJP)। দলের প্রার্থী হাসিরানি রথ (Hasirani Rath) প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বলে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যাচ্ছে। তাঁর এই জয় ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। কারণ, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই ৮১ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার সেই ব্যবধানও ছাপিয়ে গেলেন হাসিরানি।

শুভেন্দুর জয়ের ব্যবধানকে ছাপিয়ে গেলেন হাসিরানি

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম (Nandigram) থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একই নির্বাচনে ভবানীপুর (Bhabanipur) কেন্দ্র থেকেও জয় পাওয়ার পর তিনি নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। ফলে এই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়। সেই আসনেই বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হাসিরানি রথ (Hasirani Rath)। তাঁর জয়ের ব্যবধান আগের নির্বাচনের পরিসংখ্যানকে ছাপিয়ে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।

নিহত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মাকে প্রার্থী করে বিজেপি

শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিহত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath) মা হাসিরানি রথকে (Hasirani Rath) প্রার্থী করেছিল বিজেপি (BJP)। ভোটের আগে থেকেই এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। নন্দীগ্রামে বড় ব্যবধানে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে প্রচারে নেমেছিল গেরুয়া শিবির। ফল প্রকাশের পর হাসিরানির জয় দলীয় শিবিরে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।

রেজিনগরেও ছিল রাজনৈতিক লড়াই

গত মঙ্গলবার নন্দীগ্রাম (Nandigram) এবং রেজিনগর (Rejinagar) বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়। শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোটগণনা। রেজিনগরে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (Aam Janata Unnayan Party) প্রধান হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) ছেলে গুলাম নবি আজাদ (Ghulam Nabi Azad) প্রার্থী ছিলেন।

অন্যদিকে, নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের (Milan Pradhan) গ্রেফতারি ও জামিন ঘিরে ভোটের আগে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সব মিলিয়ে, নন্দীগ্রামে হাসিরানি রথের (Hasirani Rath) এই জয় রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন