কলকাতা: গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো যাত্রা হাওড়া-কলকাতার মাঝে লাইফলাইনে পরিণত হয়েছে। এবার নিত্যযাত্রীদের জন্য আসছে আরও বড় সুখবর। সড়কপথের যানজটকে টাটা বাইবাই বলে ব্যারাকপুর থেকে বাবুঘাট ও মেটিয়াবুরুজ পর্যন্ত ওয়াটার ট্যাক্সির (Water Taxi) সুবিধা পেতে চলেছেন আমজনতা। পাশাপাশি দূরপাল্লার ভেসেল পরিষেবাও শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং (Arjun Singh)।
মন্ত্রী জানান, কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় প্রতিদিনের তীব্র যানজটের বিকল্প হিসেবে নদীপথকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। নতুন পরিষেবা চালু হলে ব্যারাকপুর থেকে কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পৌঁছতে সময় যেমন কমবে, তেমনই যাত্রীদের যাতায়াতও হবে আরও আরামদায়ক।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ওয়াটার ট্যাক্সি (Water Taxi) এবং দূরপাল্লার ভেসেল চালুর মাধ্যমে গঙ্গাপথে যাত্রী পরিবহনকে আরও শক্তিশালী করা হবে। এতে একদিকে যেমন সড়কপথের ওপর চাপ কমবে, অন্যদিকে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণের নতুন দিগন্তও খুলে যাবে বলে মনে করছে প্রশাসন।
পরিষেবা চালুর নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ও ভাড়ার বিষয়ে শীঘ্রই বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে, বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার ভাটপাড়ার গোলঘর পার্কে এক খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই ঘোষণা করেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং। তিনি জানান, খুব শীঘ্রই ব্যারাকপুর থেকে বাবুঘাট ও মেটিয়াবুরুজ পর্যন্ত চালু হবে ওয়াটার ট্যাক্সি (Water Taxi) পরিষেবা। পাশাপাশি দূরপাল্লার যাত্রীদের জন্য বিশেষ ভেসেল পরিষেবাও শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী (Arjun Singh) বলেন, কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় প্রতিদিন বেড়ে চলা যানজটের বিকল্প হিসেবে জলপথের ব্যবহার বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যেই গঙ্গার নদীপথকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এই পরিষেবা (Water Taxi) চালু হলে উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতার মধ্যে যাতায়াত আরও দ্রুত, সহজ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। বিশেষ করে অফিসযাত্রীদের সময় বাঁচবে এবং সড়কপথের উপর চাপও অনেকটাই কমবে। শীঘ্রই প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ ও পরিষেবা চালুর সময়সূচি নিয়ে বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে বলে জানান পরিবহণমন্ত্রী।


