Aaj lndia Desk, কলকাতা: রাজ্যে প্রথম দফার ভোট আসতে আর মাত্র আট দিন বাকি। তার আগেই নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election commission)। সূত্রের খবর, প্রথম দফার ভোটে প্রায় ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বিভিন্ন জেলায়।
ভোটগ্রহণ পর্বে কোনও ধরনের অশান্তি বা অনিয়ম রুখতেই এই বিপুল বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে। প্রশাসনের লক্ষ্য, প্রতিটি বুথে কড়া নজরদারির মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করা।
উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ও পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় প্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিস্তারিত চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি জেলায় পরিস্থিতি ও সংবেদনশীলতা অনুযায়ী আলাদা আলাদা সংখ্যায় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।
দার্জিলিং জেলায় থাকবে ৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় মোতায়েন করা হবে ৪৪ কোম্পানি বাহিনী। কালিম্পংয়ে থাকছে ২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
জলপাইগুড়িতে মোতায়েনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি মোট ৯২ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। আলিপুরদুয়ারে থাকবে ৭৭ কোম্পানি এবং কোচবিহারে সবচেয়ে বেশি, ১৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি এবং রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় থাকছে ৮৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
মালদা জেলায় থাকবে ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় একসঙ্গে মোতায়েন করা হচ্ছে ৩১৬ কোম্পানি বাহিনী, ফলে এই এলাকা নিরাপত্তার দিক থেকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
দক্ষিণবঙ্গেও একইভাবে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর মিলিয়ে সর্বাধিক ৪৪৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। বীরভূমে থাকবে ১৭৬ কোম্পানি এবং বাঁকুড়ায় মোতায়েন করা হচ্ছে ১৯৩ কোম্পানি বাহিনী।ঝাড়গ্রাম জেলায় থাকবে ৭৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
শিল্পাঞ্চল আসানসোল –দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকাতেও ১২৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুরুলিয়ায় থাকছে ১৫১ কোম্পানি বাহিনী।
নির্বাচন কমিশনের দাবি, এই বিস্তৃত নিরাপত্তা বলয় ভোটপর্বকে আরও সুরক্ষিত ও শান্তিপূর্ণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।সব মিলিয়ে রাজ্যজুড়ে এক শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হচ্ছে।


