Aaj India Desk, কলকাতা : শুক্রবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারি বাসভবনে আয়োজিত প্রাতরাশ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এনসিপিআই-এর তিন সাংসদ আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠান। এরপর শনিবার ফের আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের নবান্নে (Nabanna Meeting) মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘিরে বঙ্গ রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। তবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাতের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি।
দিল্লির পর এবার নবান্ন
গত কয়েক দিন ধরেই মুর্শিদাবাদের এই তিন সাংসদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা চলছে। এনডিএ-তে যোগ দেওয়া নিয়ে তাঁদের দ্বিধার জল্পনার মধ্যেই মঙ্গলবার দিল্লিতে এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন আবু, খলিলুর ও ইউসুফ। তাঁদের অনুপস্থিতির পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, তিন সাংসদ কি ফের তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন? সেই জল্পনার মধ্যেই বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা।
মোদীর সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন আবু?
এর পর শুক্রবার সকালে তিন সাংসদই পৌঁছে যান প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে। প্রাতরাশ বৈঠকে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বলে জানান মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের সাংসদ আবু তাহের। তিনি স্পষ্ট জানান, “আমরা মুর্শিদাবাদের সংখ্যালঘু শ্রেণিদের প্রতিনিধি। রাজ্যে মুসলিমরা নানা ভাবে অত্যাচারিত ও বঞ্চিত হচ্ছেন। যদি সরকার এমন কিছু করেন যা মুসলিমদের স্বার্থের পরিপন্থী হবে তবে আমরা বিরোধিতা করব।”
তবে শুক্রবারের বৈঠকের পর তিন সাংসদের অবস্থান নিয়ে কিছুটা স্পষ্টতার ইঙ্গিত মিললেও শনিবার আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের নবান্ন সফর (Nabanna Meeting) ফের নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। তবে এই সাক্ষাৎকে ঘিরে কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বা দলবদলের ইঙ্গিত এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে আগামী দিনে তাঁদের অবস্থান কোন দিকে যায়, আপাতত সেদিকেই নজর বঙ্গ রাজনীতির।


