Aaj India desk, নয়াদিল্লি: সমালোচনায় ভীত হয়ে সরকার ককরোচ জনতা পার্টির এক্স হ্যান্ডেলে নিষেধাজ্ঞা আনে। যদিও তার কিছুক্ষণ পরেই আবার নতুন হ্যান্ডেল নিয়ে তারা ফিরে এসেছে। সেখানেও বিপুল সংখ্যক ফলোয়ার পেয়েছে তারা। বিজেপির আইটি সেল থেকে ইতিমধ্যেই প্রচার করা হচ্ছে এটি পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশিদের তৈরি বলে। কিন্তু দেশের যুব সমাজের ক্ষোভকে এভাবে দমন করতে চাওয়াটা আসলে বিপজ্জনক। এমনই মত কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের (shashi tharoor)।
কি বলছেন তিনি?
নিজের এক্স হ্যান্ডল থেকে করা একটি পোস্টে শশী (shashi tharoor) ককরোচ জনতা পার্টির হ্যান্ডেলকে বন্ধ করাটাকে অবিবেচকের মত সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেন,”গণতন্ত্রে বিরুদ্ধ মত দমন করা বোকামি। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় গুণ হলো তা জনমত, হতাশা এবং অভিযোগ প্রকাশের সুযোগ করে দেয়। একটি ব্যঙ্গাত্মক সাইটে এগুলোকে প্রকাশ হতে দেওয়া অবশ্যই জাতীয় স্বার্থে জরুরি। আমাদের গণতন্ত্রের রক্ষক হিসেবে, সরকার এবং বিরোধী দল উভয়েরই উচিত সজাগ হওয়া, শোনা এবং যা কিছু অসন্তোষ আছে তার মোকাবিলা করা। এই ধরনের আন্দোলনগুলো প্রেশার কুকারের ভালভের মতো কাজ করে, যা থেকে বাষ্প বেরিয়ে যায়। ভালভগুলো বন্ধ থাকলে চাপের কারণে কুকারটি ফেটে যেতে পারে। বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য বা বিপ্লবের চেয়ে ব্যঙ্গ অনেক ভালো।”
শশীর বক্তব্যের সমালোচনা
শশী থারুরের (shashi tharoor) পোস্টে এরপরেই বিভিন্ন লোক দাবি করেন ককরোচ জনতা পার্টির বেশিরভাগ ফলোয়ার বাংলাদেশ পাকিস্তানের। এর পর শশী আর একটি পোস্ট করে বলেন, “ককরোচ জনতা পার্টি ঘটনা নিয়ে আমার পোস্ট এবং সাক্ষাৎকারের বিরুদ্ধে আসা বিরোধিতাকে আমি স্বাগত জানাই। অনেক ব্যবহারকারী এটিকে পাকিস্তানের তৈরি একটি ষড়যন্ত্র বলে উড়িয়ে দিয়েছেন, কিন্তু সেটা খুবই সরলীকরণ। অভিজিৎ দিপকের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবিও করা হয়েছে যে তার ৯৪% অনুসারী ভারতে থাকেন।Instagram-এর উচিত বিষয়টি স্পষ্ট করা।” নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার পরেও অবশ্য বিজেপির আইটি সেল শশীকে দেশদ্রোহী বলতে ছাড়েনি।


