কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এবার নতুন সংযোজন—‘ডাইজেস্টিভ এনজাইম’! ক্ষমতা, একের পর এক বিধায়ক এমনকি রাজ্য সভাপতিকেও হারিয়ে একাকিত্বে ভুগছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! এমনটাই মত রাজনৈতিক শিবিরের একাংশ তথা শাসক দলের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয় মেনে নিতে পারছেন না, এমনটাও মন্তব্য করেছেন বিজেপির বেশ কিছু নেতা-মন্ত্রী।
যদিও শনিবার প্রথমবারের মত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কিছুটা হলেও অভিনন্দন জানান মমতা। এবার তৃণমূল সুপ্রিমোকে ‘হার হজম’ করার দাওয়াই বাতলে দিলেন বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ (Keya Ghosh)। রবিবার সংবাদ সংস্থার সাক্ষাৎকারে কেয়া ঘোষ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) একটা জুভেনাইল শিশুর মতো আচরণ করছেন। কারণ উনি পরাজয় মেনে নিতে পারছেন না। ওঁর আমলে কীভাবে ভোট লুট হয়েছে, সবাই দেখেছে। আমার পরামর্শ, উনি একটু ডাইজেস্টিভ এনজাইম খেয়ে নিন, তাহলে হয়তো হারটা হজম করতে পারবেন।”
X link: https://x.com/PTI_News/status/2073694765158469961
প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের নির্বাচনে জনতার রায়ে মসনদে বসেছেন শুভেন্দু অধিকারী। গেরুয়া শিবিরের বহু আকাঙ্খিত ‘বাংলা জয়’ অবশেষে সফল হয়েছে। আর তারপর থেকেই যেন ‘গ্রহণ’ লেগেছে মমতার তৃণমূলে। একে একে ঋতব্রত-সন্দীপনের বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন ২০ জন বিধায়ক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) হয়ত কোনদিন ভাবতেও পারেননি যে দল, প্রতীক, তহবিল নিয়ে একদা তাঁরই সৈনিকদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের দরজার কড়া নাড়তে হবে! আগামীকাল অর্থাৎ সোমবার ঋতব্রতদের আর্জির ফয়সালা শোনাবে নির্বাচন কমিশন।
তবে এর মাঝেও জুড়েছে নতুন টুইস্ট! ঋতব্রতদের পর দল, প্রতীকের দাবী নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে যেতে পারে ‘কালীঘাট-তৃণমূল’ও! শনিবার ফেসবুক লাইভে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যদিও বলেন, “সিম্বল দিয়ে দিলেও বা কী যায় আসে!” সেইসঙ্গে বিদ্রোহীদেরও চরম কটাক্ষ করেন তিনি। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হার স্বীকার করেছেন কিনা তা প্রশ্নভাজন। তবে দল, প্রতীক, তহবিল সত্যই হাতছাড়া হলে তা ‘হজম’ করতে পারবেন তিনি? উঠছে প্রশ্ন।


