কলকাতা: বাংলার রাজনীতিতে পালাবদলের পর এবার দিল্লির দিকে নজর বিজেপির (BJP)! ধর্মতলার মঞ্চ থেকে একের পর এক রাজনৈতিক আক্রমণে সরব বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে তাঁর কটাক্ষ, বাংলা মমতা-মুক্ত হয়েছে, আর রাজ্যে হারের পর দিল্লিতে গিয়ে কান্নাকাটি করছেন তিনি! শুধু মমতাই নন, এবার রাহুল গান্ধীকেও নিশানা করে নীতীনের ডাক, বাংলা যেমন মমতা-মুক্ত হয়েছে, তেমনই দিল্লিকেও রাহুল-মুক্ত করতে হবে!
সোমবার ধর্মতলায় বিজেপির (BJP) ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ কর্মসূচিতে কার্যত রাজনৈতিক আক্রমণের ঝড় তোলেন নীতীন নবীন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে নির্বাচন, গণতন্ত্র এবং এসআইআর বিতর্ক। ভোটে জিতলে গণতন্ত্রের জয়, আর হারলেই গণতন্ত্র বিপন্ন, বিরোধীদের এই অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এদিনের সভা থেকে বিরোধীদের নিশানা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। এসআইআর নিয়ে বিতর্কের আবহে তিনি শোনান এর নিজস্ব রাজনৈতিক ব্যাখ্যা। শুভেন্দুর কথায়, ‘এসআইআর মানে অনুপ্রবেশকারী হটাও’। অর্থাৎ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানের সঙ্গে যুক্ত করে বার্তা দেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২ নভেম্বর কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত পদযাত্রার ডাক দিয়েছিল বিজেপি (BJP)। বিরোধীদের ভোটচুরি সংক্রান্ত অভিযোগ ও এসআইআর-বিরোধী আন্দোলনের পাল্টা হিসেবেই দেশজুড়ে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ কর্মসূচি নিয়েছে গেরুয়া শিবির।
মমতা থেকে রাহুল, এসআইআর থেকে গণতন্ত্র, ধর্মতলার মঞ্চে একাধিক রাজনৈতিক ইস্যুতে সরব বিজেপি নেতৃত্ব। এবার এই আক্রমণের পাল্টা কী বার্তা দেয় বিরোধী শিবির, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের!


