Aaj India desk, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা হতে চলেছে আগামীকাল। এই বারের নির্বাচনের প্রচারে অন্যতম ইস্যু ছিল ঘুসপেটিয়া বা অনুপ্রবেশকারী সমস্যা। পাশাপাশি বিজেপির প্রচারে ভিনরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও নেতাদের আগমনকে কটাক্ষ করে তৃণমূল থেকে তাদের বহিরাগত বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। ভোটগণনার আগের দিন সেই বহিরাগত বিতর্কই ফের উসকে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (sukanta majumder)।
কি বললেন তিনি?
এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলনে বালুরঘাটের সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত (sukanta majumder) বলেন,”ভারত কোনো একক ব্যক্তির নয়, প্রত্যেক ভারতীয়ের। যে কোনো নাগরিক কাজ বা পড়াশোনার জন্য যেকোনো জায়গায় যেতে পারেন। বাঙালিরাও অন্য রাজ্যে কাজ করতে যাচ্ছে এবং অন্য রাজ্যের মানুষও বাংলায় বাস করছে ও কাজ করছে। ভবানীপুরে এমন গুজরাটি পরিবার আছে যারা এখানে ৩-৪ প্রজন্ম ধরে বাস করছে। এই ভেতরের ও বাইরের রাজনীতির মধ্যে জড়ানোর কোনো প্রয়োজন নেই।যদি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকেই বহিরাগত হিসেবে ধরা হয়, তাহলে তো সবাই-ই বহিরাগত। যদি আপনি ইতিহাসে ডুব দেন, মমতা ব্যানার্জীও একজন বহিরাগত, কারণ এখানকার লোকেরা বলে যে বাংলায় কোনো ব্রাহ্মণ ছিল না এবং সমস্ত ব্যানার্জী ও চ্যাটার্জীরা কনৌজ থেকে এখানে এসেছেন।”
ফলতা পুনর্নির্বাচন সম্পর্কে সুকান্ত (sukanta majumder) বলেন,”নির্বাচন কমিশন দেখেছে যে তৃণমূল কংগ্রেস কারচুপির পর্যায়ে নেমে গেছে, অন্য দলের নাম টেপ দিয়ে লাগিয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে এই অঞ্চলে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি… বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসছে।”
বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে প্রায়শই বাঙালিদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। বাঙালিদের বারবার করে বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়। প্রচারে এসে এই রাজ্যেও বারবার করে অনুপ্রবেশকারী ইস্যু তুলেছেন বিজেপিশাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। এত কিছুর পরেও পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখল নিয়ে তীব্র আত্মবিশ্বাসী বিজেপি। এই অবস্থায় বিজেপি সরকারের মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের (sukanta majumder) বহিরাগত সংক্রান্ত বক্তব্য কি আসলে ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা? উঠছে প্রশ্ন।


