Aaj India Desk, পূর্ব মেদিনীপুর: সোমবারেই ঠিক হবে রাজ্যের ক্ষমতা কার হাতে যাবে-পরিবর্তন, নাকি আবার সেই পুরনো সরকারই ফিরবে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election) ২৯৪টি কেন্দ্রের মধ্যে নন্দীগ্রাম যেন সবার নজরে। এখানে লড়াই একেবারে হাড্ডাহাড্ডি। একদিকে বিজেপি (BJP)-এর শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে (TMC) যোগ দেওয়া পবিত্র কর। ফলে উত্তেজনা তুঙ্গে।
ভোটের ফল ঘোষণার আগে বাজারেও তার প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে আবিরের দোকানে ভিড় বেড়েছে। কারণ, যে দল জিতবে, তারা তো আবির খেলেই উদযাপন করবে-এটাই বহুদিনের রীতি। তাই আগেভাগেই যেন ‘হোলি’র আমেজ তৈরি হয়েছে। যদিও প্রশাসনের কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে, তবুও আবির কেনাবেচা থেমে নেই।
তবে কোন রঙের আবির বেশি বিক্রি হচ্ছে, তা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে মতভেদ দেখা যাচ্ছে। কেউ বলছেন, গেরুয়া রঙের আবিরের চাহিদা বেশি, মানুষ সেই রঙই বেশি কিনছে। আবার অন্য কিছু বিক্রেতার দাবি, সবুজ আবিরই বেশি বিক্রি হচ্ছে, গেরুয়া তেমন যাচ্ছে না। অনেকেই বলছেন, বিভিন্ন সমীক্ষা বা এক্সিট পোলের ফল দেখে মানুষ আগাম আন্দাজ করে আবির কিনছে, তাই এই পার্থক্য। যদিও শেষ পর্যন্ত আসল ছবি পরিষ্কার হবে সোমবার দুপুরের পর, যখন ফলাফল সামনে আসবে। সমীক্ষা বা আন্দাজে ভরসা রাখতে নারাজ দুই পক্ষই।
গণনার আগের দিন শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, “এবার এমন পরিবর্তনের হাওয়া বইছে, যা ২০১১ সালেও দেখা যায়নি। বিজেপির পক্ষে প্রচুর ভোট পড়েছে।” অন্যদিকে পবিত্র কর আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলেছেন, “আমরাই ২৩০-এর বেশি আসন পেয়ে সরকার গড়ব, এতে কোনও সন্দেহ নেই। টাকা নিয়ে যে কথা বলা হচ্ছে, তা আসলে একটা সাজানো গল্প।”
সব মিলিয়ে, ফল ঘোষণার আগে নন্দীগ্রাম এখন রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। তাই অনেকেই মনে করছেন এখানকার ফলাফল অনেকটাই দিশা দেখাবে গোটা রাজ্যের চিত্রটা কেমন হতে চলেছে।


