কলকাতা: কালীঘাট বনাম ঋতব্রত শিবিরের ‘যুদ্ধ’ থামবে কবে? নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এই ঝঞ্ঝাটের নিষ্পত্তি এখনও অধরা! ছাব্বিশের ভোটে ভরাডুবি ভাঙন ধরায় তৃণমূলে। দলের প্রতীক ও তহবিলের (TMC symbol & bank account case) নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে কালীঘাট বনাম ঋতব্রত শিবিরের লড়াই পৌঁছেছে নির্বাচন কমিশনের দরজায়!
জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহের মধ্যে দু’পক্ষকে নিজেদের দাবির পক্ষে তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের হয়ে মহুয়া মৈত্র, সাগরিকা ঘোষরা নথি জমা দেন। অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবির আরও কিছুটা সময় চেয়েছিল। সেই বাড়তি সময় দেওয়া নিয়েই আপত্তি জানিয়েছিলেন মমতা।
পরে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, দু’পক্ষের নথি খতিয়ে দেখেই আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মনে করা হয়েছিল, ১৫ আগস্টের মধ্যে প্রতীক ও তহবিলের (TMC symbol & bank account case) ফয়সালা হতে পারে। কিন্তু আগস্ট শেষ হয়ে গেলেও এখনও কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে ৩১ আগস্ট ফের কমিশনকে চিঠি পাঠালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আর্জি, ‘তাড়াতাড়ি ফয়সালা (TMC symbol & bank account case) করুন, বহুদিন পার হয়ে গিয়েছে।’ তবে চিঠির সঙ্গে কয়েকজন বিধায়কের চিঠি যুক্ত হওয়াতেই তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য। সূত্রের খবর, ওই বিধায়কদের অভিযোগ, তাঁদের ‘ভুলপথে পরিচালিত’ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা কারা, কতজন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ফলে রাজনৈতিক মহলে এখন একাধিক প্রশ্ন, ঋতব্রত শিবির থেকে কি কেউ ফিরতে চাইছেন? সেই সংখ্যা কত? তাঁদের অবস্থান বদলালে কি ফের কালীঘাটের হাতেই থাকবে তৃণমূলের রাশ? মমতার চিঠির পর প্রতীক-তহবিলের লড়াইয়ের পাশাপাশি এখন নজর সেই ‘অজ্ঞাত’ বিধায়কদের দিকেও।


