Aaj lndia Desk,কলকাতা: অন্নপূর্ণা যোজনার তৃতীয় কিস্তির অর্থপ্রদান ঘিরে রাজ্যের লক্ষাধিক মহিলা এখন অপেক্ষায়। অগাস্ট মাস থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩,০০০ টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। তবে আবেদনপত্রের স্ট্যাটাসে ‘Approved’ বা ‘Verified’ দেখালেই যে টাকা নিশ্চিতভাবে অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে, এমনটা নয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, অর্থপ্রদানের ক্ষেত্রে আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক। এই ধাপে সামান্য ত্রুটি থাকলেও DBT (Direct Benefit Transfer) ব্যাহত হতে পারে।
অনেক আবেদনকারী ইতিমধ্যেই পোর্টালে নিজেদের আবেদন অনুমোদিত হয়েছে বলে দেখেছেন। কিন্তু চূড়ান্ত অর্থপ্রদানের আগে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন। যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরকারি অনুদান পেতে চান, সেটি আধার নম্বরের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সংযুক্ত বা ‘সিডেড’ রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ DBT শুধুমাত্র NPCI-তে আধার-ম্যাপ করা অ্যাকাউন্টেই পাঠানো হয়।
এই তথ্য অনলাইনে সহজেই যাচাই করা যায়। NPCI-এর Bharat Aadhaar Seeding Enabler (BASE) পরিষেবায় গিয়ে আধার নম্বর ও ওটিপি দিয়ে লগ-ইন করলে কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার ম্যাপ করা রয়েছে, তা দেখা যায়। একইভাবে myAadhaar পোর্টালের ‘Bank Seeding Status’ অপশন থেকেও আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্কের বর্তমান অবস্থা জানা সম্ভব।
বিশেষ করে যাঁদের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় পুরনো বা বর্তমানে ব্যবহার না করা অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার সংযুক্ত থাকে। ফলে নতুন অ্যাকাউন্টে টাকা আসার কথা থাকলেও অর্থপ্রদান আটকে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কে গিয়ে সক্রিয় অ্যাকাউন্টটিকেই আধারের সঙ্গে পুনরায় ম্যাপ করিয়ে নেওয়া উচিত।
তাই অন্নপূর্ণা যোজনার তৃতীয় কিস্তির টাকা পাওয়ার আগে শুধুমাত্র আবেদন অনুমোদিত হয়েছে কি না, সেটাই নয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের আধার-লিঙ্কের অবস্থাও একবার যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। এতে অর্থপ্রদান সংক্রান্ত অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে।


