24.7 C
Kolkata
Friday, October 30, 2026
spot_img

জোড়াফুলের লড়াইয়ে ফের ধাক্কা! পিছিয়ে গেলো কমিশনের শুনানি, পুরভোটে ভরসা অস্থায়ী প্রতীক ?

Aaj India Desk, কলকাতা : কলকাতা ও হাওড়া পুরভোটের আগে তৃণমূলের প্রতীক বিতর্কে জট আরও বাড়ল। জোড়াফুল প্রতীকের দাবিদার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূল—দুই পক্ষকেই আপাতত অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে নির্বাচন কমিশনে প্রতীক সংক্রান্ত শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে। ফলে পুরভোটের আগে প্রতীক বিতর্কের নিষ্পত্তি না হলে দুই শিবিরকেই অস্থায়ী প্রতীকে লড়তে হতে পারে। (TMC Symbol Dispute)

কমিশনের শুনানি আপাতত স্থগিত

জোড়াফুল প্রতীকের মালিকানা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর দুই শিবিরকে মুখোমুখি শুনানির জন্য ডেকেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নথি জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ায় আপাতত সেই শুনানি হচ্ছে না বলে সূত্রের খবর। কবে ফের শুনানির দিন ধার্য হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।(TMC Symbol Dispute)

নথি জমায় দুই শিবিরকে আলাদা সময়

প্রতীক সংক্রান্ত বিতর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার জন্য ২০ দিন সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে, ঋতব্রতপন্থী গণতান্ত্রিক তৃণমূলকে দেওয়া হয়েছে ১০ দিন সময়। দুই পক্ষের নথি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারে কমিশন।

কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষা

এই বিষয়ে মমতা শিবিরের আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আপাতত শুনানি হচ্ছে না। সমস্ত নথি জমা পড়ার পর নির্বাচন কমিশন নতুন করে শুনানির দিন জানাবে। অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক তৃণমূলের কয়েকজন বিধায়ক দিল্লি যেতে পারেন বলে সূত্রের খবর। তাঁদের অভিযোগ, প্রতীক সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন তাঁরা। (TMC Symbol Dispute)

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার ভোটের আগে কি আদৌ মিটবে জোড়াফুল প্রতীকের মালিকানা নিয়ে বিতর্ক? নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুনানি শেষ না হলে দুই শিবিরকেই কমিশনের বরাদ্দ করা অস্থায়ী প্রতীকে নির্বাচনে লড়তে হতে পারে। সেক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সম্ভাব্য প্রতীক ফুটবলার এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সম্ভাব্য প্রতীক খাম। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের উপর।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন