কলকাতা: তিনবার টালবাহানা শেষে শুক্রের সন্ধ্যায় সিআইডির মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সই জাল কান্ডে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও আজ সন্ধ্যে ৬ টার মধ্যে ভবানীভবনে অভিষেককে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। ডেডলাইন শেষ হওয়ার মাত্র ১০ মিনিট আগে সেখানে পৌঁছন তিনি। ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে ১ ঘণ্টারও বেশি সময়। অভিষেককে (Abhishek Banerjee) সম্ভাব্য কি কি প্রশ্ন করতে পারেন সিআইডির আধিকারিকরা?
- বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) ভূমিকা
- বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের মাপকাঠি
- কতগুলি বৈঠকের পর বিরোধী দলনেতা চূড়ান্ত করা হয়?
- বৈঠকের পর গৃহীত রেজোলিউশনের কপি কোথায়?
- রেজোলিউশনের কপি দলীয় কার্যালয়ে পাওয়া যাচ্ছে না কেন?
- বৈঠকে অভিষেক (Abhishek Banerjee) বক্তব্য রেখেছিলেন কি না?
- বৈঠকে চেয়ারপার্সনের বক্তব্য কী ছিল?
- বিরোধী দলনেতা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনও সমস্যা বা মতবিরোধ হয়েছিল কি?
- রেজোলিউশনের কপিতে ব্যাকডেট দিয়ে সই করা হয়েছিল কেন?
- ৬ মে এবং ১৯ মে-র বৈঠকে কোন কোন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন?
উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সিআইডির র্যাডারে রয়েছেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’। তদন্তে হাজিরার জন্য পরপর তিনবার নোটিস পাঠানো হলেও তিনি বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে উপস্থিত হননি। এরই মধ্যে গ্রেফতারি সহ কড়া পদক্ষেপের আশঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।
বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৌশিক চন্দ অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন বারবার তদন্তে হাজিরা এড়ানো হচ্ছে। আদালত জানিয়ে দেয়, তদন্তে সহযোগিতা করতেই হবে। এরপর অভিষেকের (Abhishek Banerjee) আইনজীবী আদালতকে আশ্বস্ত করেন যে, রক্ষাকবচ পেলে তাঁর মক্কেল সিআইডির সামনে হাজিরা দেবেন এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। শুনানি শেষে আদালত অভিষেককে ২১ দিনের জন্য গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দিলেও শুক্রবার সন্ধ্যে ৬ টার মধ্যে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়।


