Aaj India Desk,পশ্চিম মেদিনীপুর: সাত বছরের অপেক্ষা, অসংখ্য চোট অসংখ্য আঘাত, লড়াইটা কঠিন ছিল ঠিকই কিন্তু চেষ্টা ছিল অদম্য জেদের ছিল আকাশ ছোঁয়া, আর এই সবের শেষে অবশেষে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বদলে গেল মেডেলের রং।পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার মেয়ে প্রণতি নায়েক (Pranati Naik) শনিবার উজবেকিস্তানের তাসখন্দে ওয়ার্ল্ড চ্যালেঞ্জ কাপে ভল্ট বিভাগে জিতে নিলেন রুপোর পদক। ৩১ বছরের এই জিমন্যাস্ট যেন নিজের ঘাম, পরিশ্রম আর না-হারা মানসিকতারই পুরস্কার পেলেন এদিন।
ভিয়েতনাম ও উজবেকিস্তানের শক্তিশালী শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী কে পিছনে রেখে বাংলার মেয়ে পদকের মঞ্চে নিজের নাম লিখে এলো। নিজের সেরাটা উজাড় করে দিয়ে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করলেন বাংলার এই কন্যা। তবে একই বিভাগে পঞ্চম হয়ে আরও একবার নজর কেড়েছেন বাংলারই প্রতিষ্ঠা সামন্ত।একটা সময় বহু বাধা, চোট আর হতাশা প্রণতির পথ আটকাতে চেয়েছিল। কিন্তু তিনি থামেননি। তাই তাসখন্দের মাটিতে এই রুপো শুধু একটা পদক নয়, এটা এক অসম লড়াই জিতে ওঠার গল্প, বাংলার মেয়ের অদম্য জেদ আর স্বপ্নপূরণের গল্প ।
তাসখন্দের রাত তখন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে প্রণতি নায়েকের রুপোর সাফল্যে। পদক জয়ের পর ফোনের ওপারে আবেগ মিশিয়ে বাংলার জিমন্যাস্ট বললেন, গত বছরের অক্টোবরে গোড়ালির চোট যেন তাঁর স্বপ্নকেই থামিয়ে দিতে চেয়েছিল। দীর্ঘদিন বড় মঞ্চ থেকে দূরে থাকতে হয়েছে তাঁকে।
তবুও হার মানেননি প্রণতি। পুরোপুরি সুস্থ না হয়েও তাসখন্দে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শুধুই নিজের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার জন্য। আর সেই ঝুঁকির ফলই মিলল রুপোর সাফল্যে।
প্রণতির কথায়, এই পদক শুধু জয় নয়, এটা তাঁর নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। এখন তাঁর চোখ সামনে থাকা এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও এশিয়ান গেমসে। তাসখন্দের রুপো যেন আরও বড় স্বপ্ন দেখার সাহস জোগাচ্ছে বাংলার মেয়েকে।


