Aaj India Desk, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ফলতা (Falta) কেন্দ্রের তৃণমূল (TMC) নেতা জাহাঙ্গির খান (Jahangir Khan) হঠাৎ করেই ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, ফলতার মানুষের স্বার্থ ও এলাকার উন্নয়নের কথা ভেবেই তিনি আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না।
তাঁর এই ঘোষণার পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। অনেকেই জানতে চান, এটা কি দলের সিদ্ধান্ত, নাকি ব্যক্তিগত কারণে তিনি ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে তৃণমূল নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে (পূর্বতন টুইটার) স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, “জাহাঙ্গির খানের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই।”
সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির খানকে এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কারও চাপ রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি সরাসরি কোনও উত্তর দেননি। পাশাপাশি, ভোটকে ঘিরে অভিযোগ বা ইভিএমে টেপ লাগানোর যে অভিযোগ উঠেছে, সেটাও তিনি অস্বীকার করেন। তবে এই কাজ কারা করেছে, সেই বিষয়ে কিছু বলতে চাননি তিনি।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও। তিনি বলেন, “যে মানুষকে নিয়ে এতদিন ‘পুষ্পা ঝুকেগা নেহি’ ধরনের ইমেজ তৈরি হয়েছিল, তিনি হঠাৎ কেন পিছিয়ে গেলেন, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। তাহলে কি ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল, সেটাও প্রশ্নও।আর যদি তৈরি করা হয়েও থাকে তাহলে তিনি ভয় পেলেন কেন? আর যদি ভয় না পেয়ে থাকে, তাহলে ভোটের আগেই কেন সরে দাঁড়ালেন?” কুণাল আরও বলেন, “ফলতা ডায়মন্ড হারবার এলাকার অন্তর্গত, যেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জিতেছিলেন।” তাঁর কথায়, “যে প্রার্থীকে নিয়ে এত প্রচার চলছিল, তিনি কেন হঠাৎ ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, সেটা দলের কাছেও খুব একটা ভাল বার্তা নয়।”


