Aaj India desk, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। সামনের বছর আসছে পুরসভা (corporation) নির্বাচন। তার আগেই ভাঙন ধরে যাচ্ছে তৃণমূলে। ইতিমধ্যেই ফলতা পুনঃ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান। পুষ্পা ঝুঁকে যাওয়ার পর কি এবার দলের অন্যান্যরাও ঝুঁকে যাচ্ছে? এমনই প্রশ্ন উঠছে, কারণ জাহাঙ্গীরের সরে দাঁড়ানোর পর পদত্যাগ করেছেন কলকাতার এক বরো চেয়ারম্যান।
ঘটনা কি?
রাজনৈতিক কারণ দেখিয়ে ইস্তফা দিতে চাইলেন 74 নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস। চিঠি লিখে তিনি বরো চেয়ারপার্সনের পথ ছাড়তে চাইলেন। ঘটনাচক্রে এই তৃণমূল কাউন্সিলর বিরোধী দলনেতা ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ। আজ পুরসভার (corporation) চেয়ারপার্সন মালা রায়কে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু মালা রায় আজকে ছিলেন না ফলে দেবলীনার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়নি। পদত্যাগপত্রে দেবলীনা জানান রাজনৈতিক কারণে তিনি পদত্যাগ করতে চান। তবে তিনি পুর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন। কিন্তু এই রাজনৈতিক কারণ বলতে কি তিনি কি বুঝিয়েছেন তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি।
নেপথ্যের কারণ কি?
রাজ্যে পালা বদলের পর থেকেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। পার্টি অফিস থেকে ঘর , সবই বেহাত হয়েছে তাঁদের। যাঁরা পুরপ্রতিনিধি তাঁদের অবস্থা আরও খারাপ। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃণমূল শাসিত পুরসভার সঙ্গে নতুন বিজেপি সরকারের সংঘাত চলছে। পুরসভার (corporation) বিভিন্ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে টাকা আটকে দেওয়া হচ্ছে। কমিটি তৈরি করে টাকা পাশ করানোর ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তার আসল উদ্দেশ্য আসলে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার ডানা কাটা। এছাড়া ভোট পরবর্তী হিংসার কারণে অনেকেই দল ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ, ভোটের আগেই সুচারু কৌশলে তৃণমূলের জমি কেড়ে নিতে চায় বিজেপি। ফলে ভবিষ্যতে কোনো বিরোধিতার জায়গা থাকবে না।


