Aaj India Desk,নয়াদিল্লি: প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় ফের নতুন মোড়। পুরো বিষয়টি এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। পাশাপাশি বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ সব পক্ষকেই নোটিস পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এই মামলার শুনানি হতে পারে। তবে আপাতত কোনও নির্দেশ দিতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্ট। ফলে নিয়োগ বিতর্কে নতুন করে নজর এখন শীর্ষ আদালতের দিকেই।
সোমবার সেই মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চে। শুনানির সময়ই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত প্রশ্ন তোলেন, যাঁদের হাতে পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব, তাঁরা আদৌ সেই পদের যোগ্য কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
মামলা গ্রহণ করে সব পক্ষকে নোটিস জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রত্যেককে নিজেদের বক্তব্য পেশ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রাথমিক নিয়োগ বিতর্কে ফের বাড়ল আইনি চাপ ও রাজনৈতিক জল্পনা।
আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা। ফলে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর ফের চর্চার কেন্দ্রে উঠে আসছে প্রাইমারি নিয়োগ মামলা। একের পর এক পুরনো বিতর্কিত ফাইল খোলার আবহে এবার নজর ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ মামলার দিকেও। এখন দেখার, শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণে শেষ পর্যন্ত কোন পথে এগোয় এখন সেটায় দেখার।
২০২৩ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। অভিযোগ উঠেছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিয়ম ভাঙা হয়েছে এবং বহু ক্ষেত্রে অ্যাপটিটিউড টেস্টই নেওয়া হয়নি।সেই সময় বিচারপতি নিয়োগে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির ইঙ্গিতও করেছিলেন। এরপর থেকেই শুরু হয় দীর্ঘ আইনি লড়াই, যা এখন পৌঁছে গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।তবে এখন দেখার বাস্তবে এর অস্তিত্ব বাস্তবায়ন হয় কি না।


