Aaj India desk, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে হিংসার অভিযোগ আসছিল। বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস, দোকানপাট ভাঙচুরের খবর আসছিল। এই নিয়ে গতকাল হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে সওয়াল করেন স্বয়ং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলাটি করেছিলেন তৃণমুলের নেতা শীর্ষণ্য বন্দোপাধ্যায়। উল্লেখ্য বিজেপি নেতৃত্ব বারবার করে বলছিলেন তাঁদের কোনো কর্মী এর সাথে যুক্ত নয়, যদি কেউ যুক্ত থাকে, তাহলে দল কড়া ব্যবস্থা নেবে। সেই প্রসঙ্গেই আজ হুশিয়ারী দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)।
কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
আজ বিধানসভায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে অত্যন্ত কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। তিনি বলেছেন,”ভোট পরবর্তী হিংসা, মারপিট, ভাঙচুর বা অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনায় যদি কোনো জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা বা বিধায়কের নাম সরাসরি জড়িয়ে থাকে বা প্রমাণ মেলে, তবে দলমত নির্বিশেষে তাঁদের বিরুদ্ধে চরম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দোষী প্রমাণিত হলে তাঁদের বিধায়ক বা জনপ্রতিনিধির সদস্যপদ বাতিল করা হবে।” ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানোর বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari) বলেছেন, ” বিরোধী দলের সমস্ত ঘরছাড়া কর্মীদের ঘরে ফেরাতে প্রশাসন পূর্ণ সহযোগিতা করবে। তবে একই সাথে টিএমসি-কে নির্দিষ্ট নাম, এলাকা, থানা এবং বিধানসভা ভিত্তিক সঠিক তালিকা পেশ করতে হবে, যাতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারে।”
নিজের দলের কর্মীদের কি বললেন শুভেন্দু?
নিজের দলের কর্মীদেরও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। তিনি বলেছেন,”ওরা (তৃণমূল) অতীতে যা করেছে, আপনারা তা করবেন না। প্রত্যেকে শান্তি বজায় রাখুন এবং কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।” পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, ” রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা যেকোনো মূল্যে রুখতেই হবে। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ও কড়া হাতে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।” ভোটের আগে থেকেই বিজেপি সম্পর্কে জনগণের মনে ভীতির ধারণা রয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বিরোধী দল যাতে কোনো রকম সুযোগ না পায় সেই চেষ্টা করছেন শুভেন্দু। পাশাপাশি আদালত থেকেও জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে রাজ্য সরকারকে। সেই প্রসঙ্গে সতর্কতা অবলম্বন করাই শ্রেয় বলে মনে করছে বিজেপি সরকার।


