Aaj India desk, কলকাতা: জাতীয় শিক্ষা নীতি অনুসারে বদলে গেছে সম্পূর্ন পরীক্ষা ব্যবস্থা। স্নাতকের মত উচ্চ মাধ্যমিকেও আনা হয়েছে সেমিস্টার সিস্টেম। এই নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। ছাত্র ছাত্রীরা সময়মত বই, ক্লাস কিছুই পায়নি বলে অভিযোগ করেছিল। এত বিতর্ক নিয়েই উচ্চ মাধ্যমিকের (WBCHSE) পরীক্ষা শুরু হয় ফেব্রুয়ারি মাসে।সেই সেমেস্টার সিস্টেমের প্রথম উচ্চ মাধ্যমিকের ফল বেরোলো আজ।
কেমন হলো রেজাল্ট?
এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক (WBCHSE) পরীক্ষা দিয়েছিল প্রায় ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৮১১ জন ছাত্র ছাত্রী। তার মধ্যে পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্রদের পাশের হার ৮৯.৭১ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাশের হার ৯২.৪৭ শতাংশ। অর্থাৎ পাশের হারে এবারেও এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। জেলা ভিত্তিক পাশের হারে শীর্ষে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর (৯৪.১৯%)। তার পরে রয়েছে হাওড়া (৯৩.৮৪%) এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৯৩.৭১%)। মেধাতালিকার প্রথম দশে রয়েছে ৬৪ জন, ৫৬ জন ছাত্র এবং ৮ জন ছাত্রী। প্রথম স্থানে আছে একজন। দ্বিতীয় স্থানে আছে ৩ জন। তৃতীয় স্থানে আছে ৫ জন। চতুর্থ স্থানে আছে ৩ জন। পঞ্চম স্থানে আছে ৭ জন। ষষ্ঠ স্থানে আছে ১০ জন। সপ্তম স্থানে আছে একজন। অষ্টম স্থানে আছে ১১ জন। নবম স্থানে আছে ৯ জন। দশম স্থানে আছে ১৩ জন।
মেধাতালিকায় কারা?
এবছরের উচ্চমাধ্যমিক (WBCHSE) পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র আদৃত পাল। তার পাওয়া মোট নম্বর ৪৯৬। অর্থাৎ ৯৯.২ শতাংশ নম্বর পেয়েছে সে।এ বারের উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মোট তিন জন পরীক্ষার্থী। তাদের তিনজনেই ৪৯৫ করে নম্বর পেয়েছে। তারা হল—
•পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠের ছাত্র জিষ্ণু কুণ্ডু।
•নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের ছাত্র ঋতব্রত নাথ।
•নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের ছাত্র ঐতিহ্য পাঁচাল।
আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক (WBCHSE) পরীক্ষায় সামগ্রিক পাসের হার ছিল ৯০.৭৯%। এবছর তার থেকে ভালো ফল হয়েছে। তবে এরপরেও যদি কোনও ছাত্র ছাত্রী নিজেদের ফল দেখে সন্তুষ্ট হতে না পারে তবে তারা পরের বছরে আবার পরীক্ষা দিতে পারে বলে জানিয়েছে পর্ষদ।


