Aaj India desk, পূর্ব মেদিনীপুর: রাজ্যে নতুন সরকার এসে গেছে। তবুও থামছে না ভোটের পরের হিংসা (violance after election)। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুর থেকে আসছে হিংসার খবর। গত দুদিন ধরে জেলার বিভিন্ন জায়গায় আগুন ধরানো এবং মারধরের খবর আসছিল। এর মধ্যেই রাতের অন্ধকারে পুড়ে ছাই হয়ে গেল খেজুরির হিজলী মসনদ -ই-আলার সমুদ্র তটের সমস্ত দোকান।
ঘটনাটা কি ?
খেজুরির সমুদ্র সৈকতে মুসলিমদের বড় প্রতিষ্ঠান হিজলী মসনদ -ই-আলা। সমুদ্রের পাড়ে গরীব মুসলিমদের ছোট ছোট দোকান রয়েছে এখানে। আজ দিনের আলো ফোটার আগেই সেখানে আগুন লাগিয়ে (violance after election) দেওয়া হয়। রাতের অন্ধকারেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় সমস্ত দোকান। একই ভাবে খেজুরির বিদ্যাপিঠ সংলগ্ন কলমোড়ে আগুন লাগিয়ে ১০ টির বেশি দোকান পুড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার মতে (নাম প্রকাশ করতে চাননি),”বিজেপি থেকেই এখানে ঝামেলা করছে। আমরা নিজের চোখে দেখছি। বলতে গেলেই শেষ করে দেবে।”
প্রশাসনের কি বক্তব্য?
স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক জানান শর্ট সার্কিট থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। এর সাথে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই। তবে সবথেকে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। তাদের দাবি সম্পূর্ন মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে
সম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর জন্য। সমাজ মাধ্যমে যা কিছু তথ্য ঘুরছে সবটাই ফেক। পুলিশের এই দাবিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মানুষ তাদের বক্তব্য, ” সবই যদি ফেক হয় তাহলে কাল খেজুরী কলামোড়ের আগুন নেভাতে দমকল এল কেন?” স্থানীয়দের মতে ভোটের পরে হিংসা (violance after election) এখানে কোনোদিনও থামে না। নতুন সরকারকে অনেক আশা নিয়ে পরিবর্তন করা হয়েছে তবুও সেই অশান্তি পিছু ছাড়ছে না। আসলে যে পার্টিই আসুক ইচ্ছা করেই এখানে অশান্তি লাগানো হয়, মানুষকে শিক্ষিত করা হয় না। আমরা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি গরীব মানুষের দোকান পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছে আর প্রশাসন বলছে ফেক নিউজ? আমাদের মত কি প্রশাসনও তবে ভয় পাচ্ছে? স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি ও প্রশাসনের বক্তব্যে এই ফারাক ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কিন্তু সত্যিটা আসলে কী?এই সরকারের আমলে প্রশাসনও কি ভীত ?


