Aaj India Desk, কলকাতা : বঙ্গ জুড়ে শপথ গ্রহণের পর্বে মগ্ন রাজ্যবাসী কার্যত ভরপুর ব্যস্ততায় কেটেছে বিগত দুদিনের প্রস্তুতি, আর আজই মহা সমারোহে অনুষ্ঠিত হলো শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।প্রধানমন্ত্রী সহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ,কুড়িটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, এছাড়াও ছিল হেভি ওয়েট রাজনৈতিক কর্মকর্তারা তাদের উপস্থিতিতে শপথ গ্রহণ করলেন রাজ্যের নব মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ।
দেশ জুড়ে সাক্ষী রইল এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে , বাংলার মাটিতেই প্রথমবার বিজেপি সরকার, ৩৪ বছরের বাম জামানা, ১৫ বছরের তৃণমূল শাসন এই সমস্ত কিছুকে ইতি টেনে বঙ্গের মাটিতে ঐতিহাসিক জয় ভারতীয় জনতা পার্টির ।
জাঁকজমকপূর্ণ ব্রিগেড ময়দানে কুড়িটি ঝাল মুড়ি স্টোল, পাঁচ থেকে ছটি মিষ্টির দোকান যেমন ছিল তেমনি ছিল সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, কলকাতার ব্রিগেড ময়দান আজ মানুষের সমাগমে পরিপূর্ণ ছিল। তবে এই অংশগ্রহণ এই উৎসব এই আনন্দ সবের মাঝেও যা ছিল না টা হলো প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি ।
কার্যত আজকের দিনটা যে ঐতিহাসিক ছিল এ কথা বলার অবকাশ রাখে না। একদিকে রবীন্দ্র জয়ন্তী অন্যদিকে শপথ গ্রহণ সব মিলিয়ে আজকের অনুষ্ঠানে ছিল সাজে সাজো রব। তবে এই অনুষ্ঠানে যেটা বঙ্গবাসী পেল না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে।
একদিকে নব মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ, আর অন্যদিকে ব্রিগেডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুঁজতে খুঁজতে অনেকের অবস্থা যেন “দিদি কোথায়?” মোডে পৌঁছে গিয়েছিল কেউ মঞ্চের দিকে তাকিয়েছেন, কেউ ভিআইপি গ্যালারিতে, আবার কেউ বলছেন “ওই তো দিদি দূরে ঘোমটা দিয়ে দাঁড়িয়ে”।
শেষমেশ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতিও রাজনৈতিক মহলে আলাদা করে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। অনেকের মতে, এত বড় রাজনৈতিক মঞ্চে তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও অন্য মাত্রা দিতে পারত। তবে সব মিলিয়ে আজকের দিনটি রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।


