Aaj India desk, উত্তর ২৪ পরগণা: পচিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসা তো চলছিলই। গতকাল রাতে শুভেন্দু অধিকারীর (suvendu adhikari) আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রুথ হত্যায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। গতকাল রাতে কলকাতা থেকে মধ্যমগ্রামে নিজের বাড়ি ফেরার পথে গাড়িতেই গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় চন্দ্রনাথকে। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। এই অবস্থায় জানা গেল ভবানীপুরে ভোটগণনার দিন মমতার সঙ্গে বচসায় জড়িয়েছিলেন চন্দ্রনাথ।
কি হয়েছিল সেদিন?
ভোট গণনার আগে ৩০ এপ্রিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের শাখাওয়াত মেমোরিয়াল হাই স্কুলের স্ট্রংরুমে গেছিলেন। স্ট্রংরুম পাহারা দিতেই সেখানে গিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। চন্দ্রনাথও কয়েকজন বিজেপি সমর্থককে নিয়ে সেখানে তখন পৌঁছে যান। সে দিন শুভেন্দু অধিকারী( suvendu adhikari ) নিজের শহর কাঁথিতে চলে যান। তাই গণনাকেন্দ্রের বাইরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন চন্দ্রনাথ।এর পর পুলিশের সঙ্গে তীব্র বাগ্বিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যায় চন্দ্রনাথকে। তাঁর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভিতরে থাকার সময় একটি তৃণমূলের প্রচার গাড়ি বেআইনিভাবে গণনাকেন্দ্রের একেবারে পাশে দাঁড় করানো হয়েছিল। এর পরই বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে পুলিশ ও সিআরপিএফের হস্তক্ষেপে গাড়িটি সেখান থেকে সরানো হয়।
চন্দ্রনাথ হত্যায় তৃণমূল কি বিবৃতি দিল?
ঘটনার জন্য পরোক্ষভাবে বিজেপির উপর দোষ চাপিয়েছে তৃণমূল। ঘটনার পর এক্স হ্যান্ডেলে (পূর্বতন টুইটার) তারা লেখে,”আমরা চন্দ্রনাথ হত্যায় তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আদর্শ আচরণবিধি বলবৎ থাকা সত্ত্বেও, গত তিন দিন ধরে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতিকারীরা নির্বাচন-পরবর্তী হিংসা চালিয়ে যাচ্ছে। এর জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের তিনজন কর্মী ও চন্দ্রনাথ রুথের হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি আমরা।আমরা এই বিষয়ে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি, আমরা চাই আদালতের তত্ত্বাবধানে এই ঘটনার সিবিআই তদন্ত হোক, যাতে দোষীদের অবিলম্বে শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা যায়। গণতন্ত্রে সহিংসতা ও রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের কোনো স্থান নেই এবং দোষীদের যত দ্রুত সম্ভব জবাবদিহি করতে হবে।” উল্লেখ্য, শুভেন্দু( suvendu adhikari ) যখন তৃণমূল সরকারের মন্ত্রী ছিলেন চন্দ্রনাথ তখন থেকেই শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী। এই ঘটনায় তৃণমূলের নাম জড়ালেও রাজনৈতিক মহলের দাবী নিজেদের আরও বিপদে ফেলার মত কাজ পরাজিত ও কোণঠাসা তৃণমূলের করার কথা নয়।


