Aaj India desk, মুর্শিদাবাদ: আগামীকাল ঠিক হতে চলেছে বাংলার মসনদ আগামী ৫ বছরের জন্য কার। এই বছর বাংলার নির্বাচন ছিল অভূতপূর্ব। একদিকে যেমন জনগনের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অন্যদিকে মোটের
উপর শান্তিপূর্ণ ছিল এবারের নির্বাচন। কিন্তু ভোটগণনার আগের দিন অশান্তির আশঙ্কা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)।
কি আশঙ্কা করলেন তিনি?
বহরমপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলন থেকে তিনি (Adhir Ranjan Chowdhury)বলেন, “তৃণমূল একটি উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে এবং যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে। জেতার জন্য তৃণমূল যেকোনো কিছু করতে পারে। যদি ফলাফল তাদের জন্য খুব খারাপ হয়, তবে তারা প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত করার চেষ্টা করতে পারে, যার জন্য হিংসা এবং উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে। এমন সম্ভাবনাও রয়েছে কিছু বিষয় আদালতে গড়াতে পারে।”
পাশাপাশি ফলতা পুনর্নির্বাচন নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অধীরের মতে (Adhir Ranjan Chowdhury), “ফলতা পুনর্নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরেই ভোট গণনা হলে ভালো করত নির্বাচন কমিশন।”
সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে অধীরের বক্তব্য কি?
নির্বাচন কমিশনের গণনা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলের মামলা নিয়ে অধীর (Adhir Ranjan Chowdhury) বলেন,”যে কেউ সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারেন, কিন্তু বাংলার শাসক দল টিএমসি-র মুখে ধর্মের কথা বলা শোভা পায় না। বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শুরু করে পৌরসভা নির্বাচন ও অন্যান্য নির্বাচনে মানুষকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ারও সুযোগ দেওয়া হয় না। বিরোধী দলের সদস্যদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ রুদ্ধ করতে পুলিশ ও টিএমসি-র গুন্ডারা একজোট হয়ে কাজ করে। কেউ জিতলেও তাঁকে শংসাপত্র পর্যন্ত দেওয়া হয় না… এবার আমি দেখলাম যে নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পেরেছেন, তাঁরা নির্ভয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পেরেছেন। তার মানে এই নয় যে আমি বিজেপি বা নির্বাচন কমিশনকে সমর্থন করি… এসআইআর-এর বিষয়টি ভিন্ন, কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি ও তৎপরতার কারণেই মানুষ নির্বাচনে নির্ভয়ে ভোট দিয়েছেন।”
ভোটগণনার আগে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথামত সক্রিয় হয়েছেন দলের নেতা মন্ত্রীরা। সেই পরিপ্রেক্ষিতে অধীরের এই আশঙ্কা অমূলক নয় বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।


