Aaj India desk, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় রেকর্ড ভোট (Vote) পড়েছিল।এর মধ্যে পুরুষ ভোটারদের হার ছিল ৯০.৯২%,নারী ভোটারদের হার ৯২.৬৯%,অর্থাৎ মেয়েদের ভোটদানের হার অনেক বেশি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে শেষ প্রচারের দিনে নির্বাচন কমিশনের (ECI) বার্তা উসকে দিল এই অংককেই। নিজেদের এক্স হ্যান্ডেল থেকে ( পূর্বতন টুইটার)একটি ভিডিও ভাগ করে কিছু বার্তা দেয় তারা।
কি বার্তা দিল কমিশন ?
নির্বাচন কমিশনের ভাগ করে নেওয়া ভিডিওতে বেশ কিছু মহিলাকে ঘরে বাইরের কাজ করতে দেখা যাচ্ছে।এর সঙ্গে ক্যাপশনে তারা লেখে,’ তিনি নেতৃত্ব দেন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন। তিনি পরিবর্তন আনেন। আমাদের জাতির ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষমতা নারীদের হাতেই রয়েছে। এগিয়ে আসুন, দায়িত্ব নিন এবং আপনার ভোট শক্তি দেখান।’ অর্থাৎ ভিডিও বার্তার মাধ্যমে মহিলাদের ভোট (Vote) দিতে উৎসাহিত করছে তারা। নিবার্চনের আগে এস আই আরে অজস্র মহিলার নাম বাদ চলে যাওয়ায় প্রশ্নের মুখে পড়েছিল কমিশন। তারপরে মহিলাদের বিপুল ভোটদান নির্বাচন কমিশনের (ECI) ভাবমূর্তি রক্ষা করে। তাই দ্বিতীয় দফাতেও প্রথম দফার পুনরাবৃত্তি চায় তারা।
তবে মহিলাভোট (Vote) এই মুহূর্তে রাজ্য রাজনীতি তো বটেই, সারা দেশের নিরিখে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক মহল থেকে দাবী করা হয় পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের বিপুল সাফল্যের মূল কারণ মহিলা ভোট কারণ কন্যাশ্রী, রূপশ্রী এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার।এই ভাতাগুলি মহিলাদের কাছে যেমন আর্থিক সহায়তা করেছে তেমনই পরিবারে মহিলাদের গুরুত্ব বাড়িয়ে তুলেছে। ফলে মহিলাদের বড় অংশ তৃণমূলেই ভোট দেন। প্রথমে বিরোধিতা করলেও পশ্চিমবঙ্গের সাফল্য দেখে অন্য রাজ্যগুলিতেও এই একই ব্যবস্থা চালু করে সফল হয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। এরাজ্যেও ভোটের আগে থেকেই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম বিলি করা নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছে তারা। অন্যদিকে নারী নির্যাতনের অভিযোগও বড় ভূমিকা নিচ্ছে নির্বাচনে। তাই পরিবর্তন হবে কিনা সেই জাদুকাঠি মহিলাদের হাতেই রয়েছে আর তাই মহিলাদের উৎসাহিত করার প্রচেষ্টা নির্বাচন কমিশনের ( ECI) বলে দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।


