30 C
Kolkata
Monday, April 27, 2026
spot_img

আদালতের নির্দেশে শেষ বেলার প্রচারে বড় ধাক্কা! বাইক মামলায় কিসে মিলল ছাড়?

কলকাতা: ভোটের আগে বাইক চলাচলে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) একগুচ্ছ বিধিনিষেধ ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এবার পৌঁছল কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। একক বেঞ্চের দেওয়া শর্তসাপেক্ষ ছাড় ও কিছু সংশোধনের বিরুদ্ধে সোমবার ফের আদালতের দ্বারস্থ হয় কমিশন। বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে বিষয়টি নিয়ে শুনানি হয়। এদিন আদালত জানিয়েছে, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত ‘গ্রুপ রাইডিং’ বা দল বেঁধে বাইক চালানো নিষিদ্ধ (Bike Ban) থাকবে, যাতে কোনও ধরনের সংগঠিত রাজনৈতিক চলাচল বা প্রভাব বিস্তার না ঘটে।

তবে একই সঙ্গে বিচারপতি শম্পা সরকার স্পষ্ট করেন, ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা যাবে না। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কেউ যদি ব্যক্তিগতভাবে বাইক চালিয়ে ঘুরতে চান বা যাতায়াত করেন, তা বন্ধ করা যাবে না। আদালতের ভাষায়, ব্যক্তিগত ইচ্ছায় চলাচলে বাধা দেওয়া যুক্তিসঙ্গত নয়। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় বাকি ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকেই আদালতের বাইক সংক্রান্ত নতুন নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে দল বেঁধে বাইক চালানো বা ‘গ্রুপ রাইডিং’ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ (Bike Ban) থাকবে। ফলে আজ সন্ধ্যায় যে সকল রাজনৈতিক দল বাইল মিছিলের আয়োজন করেছিল, তা সম্পূর্ণ ভেস্তে গেল। শেষ বেলায় বাইক মিছিলের অনুমতি দিল না আদালত। তবে ব্যক্তিগতভাবে চলাচলে কোনও বাধা নেই বলে স্পষ্ট করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের মতে, ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা যায় না।

একই সঙ্গে বলা হয়েছে, ভোটের দিন ও তার আগে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাইকে যাত্রী পরিবহন নিয়ে কিছু শর্ত থাকবে, তবে চিকিৎসা, পারিবারিক জরুরি কাজ, বা শিশুদের যাতায়াতের মতো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে। অ্যাপভিত্তিক বাইক পরিষেবা এবং সামাজিক কারণে যাতায়াতও নির্দিষ্ট শর্তে অনুমোদিত থাকবে।

এর আগে নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, ভোটের আগে ও ভোটের দিন নির্দিষ্ট সময় বাইকে যাত্রী বহন করা যাবে না, যদিও জরুরি প্রয়োজনে ছাড় ছিল। সেই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হলে হাই কোর্ট জানায়, সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কমিশনের ক্ষমতা থাকলেও তা আইনসঙ্গত সীমার মধ্যে থাকতে হবে। বাইক চলাচল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ (Bike Ban) করার কোনও আইনগত ভিত্তি নেই বলেও পর্যবেক্ষণ দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন